রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: জুবাইদা রহমান গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করতে হবে সাইবার বুলিং বিষয়ে আইআরআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক তিশার লাজুক হাসি নজর কাড়ল ভক্তদের ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, সৎ সাহস থাকলে আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: ১০ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয় : মীর শাহে আলম ফ্রান্সের সিনেটরদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদর বৈঠক জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেবা চালুর উদ্যোগ, প্রশিক্ষণ পাবেন ৫ হাজার
  • যেসব অভ্যাস আপনাকে মানুষের চোখে গুরুত্বহীন করে তুলতে পারে

    যেসব অভ্যাস আপনাকে মানুষের চোখে গুরুত্বহীন করে তুলতে পারে
    ছবি: এআই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আপনি হয়তো অনেকের জন্য অনেক কিছু করেন, তবুও দিন শেষে দেখা যায় তারা আপনাকে সেইভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে দোষারোপ না করে আগে বুঝে নেওয়া জরুরি—আপনার কিছু অভ্যাসই অজান্তে অন্যদের কাছে আপনার মূল্যকে কমিয়ে দিচ্ছে। সম্পর্ক, সময় ও ব্যক্তিগত সীমারেখা (বাউন্ডারি) ঠিকভাবে না সামলাতে পারলে মানুষ আপনাকে সহজেই “অপশন” হিসেবে ধরে নিতে পারে।

    নিচে এমন কিছু অভ্যাস তুলে ধরা হলো, যা আপনাকে অজান্তেই গুরুত্বহীন করে তুলতে পারে—মিলিয়ে দেখুন, আপনার মধ্যে এগুলো আছে কি না।

    সবসময় সহজলভ্য থাকা

    সব প্রস্তাবে “হ্যাঁ” বলা, নিজের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে অন্যের জন্য দৌড়ে যাওয়া—এই অভ্যাস মানুষকে শেখায় যে আপনার সময়ের কোনো নির্দিষ্ট মূল্য নেই। আপনি সবসময় ফ্রি থাকলে, অন্যরাও ধরে নেয় আপনি সবসময়ই পাওয়া যাবে। ফলে আপনার প্রয়োজন বা সময়কে গুরুত্ব না দেওয়াই স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়।

    নিজের সীমা বোঝা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী “না” বলা শিখলে সম্পর্ক আরও স্বাস্থ্যকর হয়, আর আপনার সময়ও আরও সম্মান পায়।

    একতরফা চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া

    যে সম্পর্ক বা মানুষের জন্য আপনি বারবার চেষ্টা করছেন, কিন্তু বিনিময়ে কোনো যত্ন বা গুরুত্ব পাচ্ছেন না—সেখানে ধীরে ধীরে আপনার প্রচেষ্টা স্বাভাবিক বিষয় হয়ে যায়। তখন আপনার দেওয়া আর আলাদা করে চোখে পড়ে না।

    এভাবে একতরফা দিতে থাকলে সম্পর্কটি ধীরে ধীরে একটি শোষণের জায়গায় পরিণত হয়। সুস্থ সম্পর্ক সবসময় দুই দিক থেকেই সমান যত্ন ও অংশগ্রহণ দাবি করে।

    কোনো ব্যক্তিগত সীমারেখা না রাখা

    আপনার জীবনে কেউ সহজেই হস্তক্ষেপ করতে পারলে, আপনার সিদ্ধান্ত বা ব্যক্তিগত বিষয়কে সম্মান না করলে—ধীরে ধীরে আপনার অবস্থান দুর্বল হয়ে যায়। তখন মানুষ আর আপনাকে আলাদা করে গুরুত্ব দেয় না, কারণ তারা জানে সীমা ভাঙলেও কোনো প্রতিক্রিয়া আসবে না।

    সম্মান পেতে হলে আগে নিজের সীমা পরিষ্কার করা জরুরি। কে কতটা আপনার জীবনে প্রবেশ করতে পারবে, সেটা নির্ধারণ করাও আত্মসম্মানের অংশ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ