নাগরিক প্রশাসনের সঙ্গে মিলেই দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনী

প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম সামরিক বাহিনীকে আরও জনমুখী, পেশাদার ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের স্বার্থে ভবিষ্যতে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে সামরিক বাহিনী।
মঙ্গলবার (৫ মে) জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, একটি দক্ষ, পেশাদার ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সামরিক বাহিনী গড়ে তুলতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
ড. শামছুল ইসলাম আরও বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে জেলা প্রশাসকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমন্বিত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এবারের চার দিনের ডিসি সম্মেলন শুরু হয় গত ৩ মে, যা ৬ মে পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে ৮ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে পাওয়া মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ই-গভর্ন্যান্স—এসব বিষয় আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে।
এছাড়া রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় অধিবেশনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।