মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভয়াবহ ভূমিকম্পেও অটুট মাতৃত্ব, জীবিত উদ্ধার মা ও শিশু সিটি করপোরেশন বাদে বিরোধী আসনে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব চাকরির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, কর্মসংস্থান তৈরি করবে তরুণরা: প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর হারারে টেস্টে বাংলাদেশের হতাশা, বড় লিড গড়ছে জিম্বাবুয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন কঠিন হচ্ছে? নতুন নীতিতে কী কী বদলাল ইসরায়েল কি হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থন? মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার
  • নীলফামারীর স্কুলে শিক্ষার্থীদের পচা ডিম বিতরণ, অভিভাবকদের প্রতিবাদ

    নীলফামারীর স্কুলে শিক্ষার্থীদের পচা ডিম বিতরণ, অভিভাবকদের প্রতিবাদ
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের পচা ডিম ও নিম্নমানের কলা সরবরাহ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পচা ডিম দেওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও একই বিদ্যালয়ে পচা ডিম সরবরাহ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগে স্কুল ফিডিং প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ হাজার ৩৩৪ জন শিক্ষার্থী উপকৃত হওয়ার কথা। তবে অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে নিম্নমানের ও পচা খাবার সরবরাহ করছে।

    অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবি, শুধু পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, উপজেলার আরও কয়েকটি বিদ্যালয়েও একই ধরনের নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে। একাধিকবার শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাদের।

    মনোয়ার হোসেন নামে এক অভিভাবক বলেন, “শিক্ষার্থীদের পুষ্টির জন্য যদি পচা খাবার দেওয়া হয়, তাহলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়বে। সরকারের এমন প্রকল্পের উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হচ্ছে।”

    আরেক অভিভাবক সালমা বেগম বলেন, “এমন খাবার দেওয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভালো। এসব খেলে শিশুরা অসুস্থ হয়ে যাবে।”

    পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা বেগম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য আনা ডিম তাদের দেওয়া হয়েছিল। পরে দেখা যায় অনেক ডিম পচা। তাই সেগুলো ফেরত নেওয়া হয় এবং বিষয়টি সরবরাহকারীদের জানানো হয়েছে।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা বেগম বলেন, “এ বিষয়ে আমার কাছে এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি গুরুতর। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে হবে।”


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ