বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন মরিয়মের বাবার আপসনামা দাখিল, জামিন পেলেন মাকসুদা; কারাগারেই নজরুল
  • ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি ঘিরে উদ্বেগ ট্রাম্পের হুমকির পর

    ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি ঘিরে উদ্বেগ ট্রাম্পের হুমকির পর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইরান প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোকে ওয়াশিংটনকে সমর্থন না করার জন্য সতর্ক করেছে। ইরানের উপরাষ্ট্রপতি ইসমাইল সাঘাব ইসফাহানি বলেন, হরমুজ প্রণালীতে চলমান উত্তেজনার মধ্যে তেল কূপসহ ইরানের অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তেহরানের প্রতিক্রিয়া হবে চারগুণ।

    ইসফাহানি এক্স-এ একটি পোস্টে বলেন, ‘আমরা যেকোনো যুদ্ধাপরাধের জবাব দেব। এই অবরোধের ফলে যদি তেলকূপসহ আমাদের কোনো অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে আমরা নিশ্চিত করছি যে, আগ্রাসনকারীকে সমর্থনকারী দেশগুলোর ক্ষেত্রে এর চারগুণ শাস্তি দেয়া হবে।’

    ‘আমাদের হিসাব করার পদ্ধতিটা ভিন্ন। একটা তেলকূপ মানে চারটি তেলকূপ,’ মার্কিন সমর্থকদের ওপর তেহরান যে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করতে চায়, তার মাত্রা তুলে ধরে তিনি যোগ করেন।

    ট্রাম্পের হুমকি
     
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ধারাবাহিক চাপ ইরানের তেল সংরক্ষণাগার বা ট্যাংকারে স্থানান্তরের ক্ষমতা ব্যাহত করতে পারে। এর পরেই এই মন্তব্যগুলো আসে।

    গত সপ্তাহে, তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন,  ‘ইরান আর্থিকভাবে ভেঙে পড়ছে! তারা অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে চায় -- নগদ টাকার জন্য হাহাকার করছে! প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ অভিযোগ করছে যে তারা বেতন পাচ্ছে না।’

    পরে ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এ ধরনের বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের তেল পাইপলাইনগুলো একটি সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এর মাধ্যমে তিনি ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার বিষয়টি তুলে ধরেন, যা ওয়াশিংটনের চাপ প্রয়োগের কৌশলের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
     
    ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার গালিবফও ট্রাম্পের হুমকির জবাব দিয়েছেন এবং এই অচলাবস্থায় ইরানের সুবিধাজনক অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। গালিবফ একটি গাণিতিক সমীকরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছেন যে, ইরানের সরবরাহ যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদার সমান।

    তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, ইরানের হাতে ‘সরবরাহের তাস’ রয়েছে, অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ব্যাহত করার হাতিয়ার। হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে হুমকির মুখে, অন্যদিকে বাব এল-মানদেব প্রণালী এবং পাইপলাইনগুলো অব্যবহৃত রয়েছে।

    শেষে, তিনি উল্লেখ করেন যে গ্রীষ্মকাল হলো তেলের চাহিদার সর্বোচ্চ মৌসুম। তখনও যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাবে। এটি ঘটবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগে, যা ট্রাম্পের 'ব্লু ওয়েভ'-এর আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলবে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন