বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন মরিয়মের বাবার আপসনামা দাখিল, জামিন পেলেন মাকসুদা; কারাগারেই নজরুল
  • ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি নিরাপত্তা সংকটে বিশ্ব: আইইএ

    ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি নিরাপত্তা সংকটে বিশ্ব: আইইএ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেছেন, বিশ্ব এখন ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি নিরাপত্তা সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে।

    সিঙ্গাপুরে সিএনবিসির ‘কনভার্জ লাইভ’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পণ্যের সরবরাহেও বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিচ্ছে।

    রয়টার্সকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে বিরোল বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে মূল্য বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দেশের নীতিগত পদক্ষেপ চাহিদার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    ইরান-সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলমান অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

    এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন, ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে তা হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকটগুলোর একটি। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানি উৎস বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধের আগে দৈনিক প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহন হতো। বর্তমানে সংঘাতের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    আইইএ আরও সতর্ক করেছে, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং অনেক দেশে জ্বালানি রেশনিংয়ের মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

    সংস্থাটি জানায়, ইউরোপে শিগগিরই জেট ফুয়েলের সংকট দেখা দিতে পারে, কারণ অঞ্চলটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের রিফাইনারির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে সেই সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়ার দিকে ঝুঁকছে ইউরোপ।

    বিরোল আশা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে এবং স্বাভাবিক জ্বালানি সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন