বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন মরিয়মের বাবার আপসনামা দাখিল, জামিন পেলেন মাকসুদা; কারাগারেই নজরুল
  • যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম দিতে আসে ভারতীয়রা—ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম দিতে আসে ভারতীয়রা—ট্রাম্প
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ রেডিও সঞ্চালক মাইকেল সেভেজের একটি বিতর্কিত চিঠি শেয়ার করেছেন। ওই চিঠিতে ভারত, চীনসহ কয়েকটি দেশ সম্পর্কে আপত্তিকর ও বর্ণবাদী মন্তব্য করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    চিঠিতে মাইকেল সেভেজ ভারত ও চীনকে ‘হেলহোল’ বা ‘নরক’ হিসেবে উল্লেখ করে দাবি করেন, এসব দেশ থেকে মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে আসে যাতে তাদের সন্তান জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়। তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনের অপব্যবহার বলে আখ্যা দেন এবং আইনটি বন্ধের আহ্বান জানান।

    সেভেজ আরও অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি নবম মাসে যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দেয় এবং সেই শিশু জন্মের পরপরই মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়ে যায়। এরপর ওই নাগরিকত্বের মাধ্যমে পুরো পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পায় বলেও তিনি দাবি করেন।

    1

    এদিকে ট্রাম্প এই পোস্টটি শেয়ার করেন এমন সময়ে, যখন একদিন আগেই তিনি সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন যে, বিশ্বের আর কোনো দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিয়ম নেই। তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, ট্রাম্পের এই দাবি তথ্যগতভাবে সঠিক নয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় তিন ডজনেরও বেশি দেশে জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে কানাডা, মেক্সিকোসহ দক্ষিণ আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশ রয়েছে।

    Untitled design

    ট্রাম্পের এই পোস্ট ও মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে ভারত ও চীনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনি প্রেক্ষাপটে অভিবাসনবিরোধী অবস্থান আরও কঠোর করতে ট্রাম্প এ ধরনের বক্তব্য ও প্রচারণায় সমর্থন দিচ্ছেন।

    মানবাধিকার কর্মী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের মন্তব্যকে বর্ণবাদী ও বিদ্বেষমূলক বলে সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, ভারত ও চীনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশের বিরুদ্ধে এ ধরনের মন্তব্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি করেছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন