রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • চীনে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    চীনে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    চীনে সফররত বিএনপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার চীনের আইডিসিপিসি ভবন এবং গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৃথক দুটি বৈঠকে অংশ নেন উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা।

    বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল চীনের উপরাষ্ট্রপতি হান জেং এবং সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আরও বিকশিত হয় এবং বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

    দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক কো-অপারেটিভ পার্টনারশিপ’কে পারস্পরিক আস্থা ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
    বৈঠকে বিএনপি ও সিপিসির মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন, নিয়মিত সংলাপ এবং দ্বিপাক্ষিক সফর বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ তার বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করছে। তিনি এক-চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

    রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই মানবিক সমস্যা সমাধানে চীনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
    এছাড়া তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ শক্তি, বৈদ্যুতিক যানবাহন, হালকা ও মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।
    বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল স্থাপন, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, টিকাদান কর্মসূচি এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি কারিগরি প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সহায়তা কামনা করা হয়।

    চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    বিএনপির প্রতিনিধি দলে দলের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং উপদেষ্টারা অংশ নেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন