রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৮ ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওতে পুতুলের নিয়োগে জালিয়াতি ছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি

    দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে। জুলাই ও আগস্টে ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব ইলিশ দেশে এনেছে।

    বেনাপোল ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জুলাইয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি এবং আগস্টে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়। দুই মাসে আমদানি করা মাছের ঘোষিত মূল্য ৬ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৫১০ টাকা।

    ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম জানান, আগস্টে ইলিশ আমদানির পরিমাণ জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে।

    বেনাপোল দিয়ে ইলিশ আমদানির কারণে বেনাপোল, শার্শা, বাগআঁচড়া, নাভারণ ও যশোরের বড় বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ বেড়েছে। তবে এসব মাছের একটি অংশ বাজারে ‘মিয়ানমারের ইলিশ’ নামে পরিচিত। ক্রেতাদের অভিযোগ, বিদেশি ইলিশকে দেশি মাছ হিসেবে বিক্রি করায় তারা প্রতারিত হচ্ছেন।

    যশোরের আড়তদারদের দাবি, মিয়ানমারের ইলিশ ভারত হয়ে বেনাপোল দিয়ে দেশে আসছে। তবে ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বেনাপোল দিয়ে আমদানি করা ইলিশ ভারতীয়। মিয়ানমার থেকে আসা ইলিশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। বাজারে মিয়ানমারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    এদিকে গত ২২ জুলাই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সাদা মাছের ঘোষণা দিয়ে ১২ কার্টনে প্রায় ৩৬০ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানির ঘটনা ধরা পড়ে। পরে মাছগুলো জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

    বর্তমানে যশোরের বাজারে ১ কেজি ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের দেশি ইলিশ প্রতি কেজি ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ১ কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের কথিত মিয়ানমারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে। দামের বড় পার্থক্যের কারণে কম দামের বিদেশি ইলিশের দিকে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    বড় বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বিদেশি ইলিশ কম দামে বিক্রি হওয়ায় দেশি ইলিশের বিক্রি কমেছে। এতে দেশি ইলিশের ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই সঙ্গে বিদেশি মাছকে দেশি ইলিশ হিসেবে বিক্রি করা হলে ক্রেতারাও প্রতারিত হচ্ছেন।

    যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন বলেন, বাজার নিয়মিত মনিটরিং করা হয়। তবে আমদানি করা মাছ দেশি হিসেবে বিক্রির বিষয়টি মৎস্য আইনে সরাসরি কাভার না করায় এ ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ সীমিত।

    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যশোরের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, আমদানি করা ইলিশ অবশ্যই সঠিক পরিচয় দিয়ে বিক্রি করতে হবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযান পরিচালনা করা হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন