মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশি পর্যটক বাড়ায় ফের জমজমাট কলকাতার নিউ মার্কেট শাবনূর কি সালমানের প্রেমিকা ছিলেন? জানালেন নীলা চৌধুরী ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে কী সিদ্ধান্ত? জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জেআইসি গুম-নির্যাতন মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত তারেক রহমানের সঙ্গে ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের বৈঠক সেপ্টেম্বরেই মা হচ্ছেন দীপিকা শিশুদের টিকার সংখ্যা কমাতে ট্রাম্পের নির্দেশ বাংলাদেশকে সরিয়ে বিশ্বকাপে, এবার আইসিসির সিদ্ধান্তে স্কটল্যান্ডের ক্ষোভ জনগণের আয় না বাড়িয়ে ব্যয়ের বোঝা চাপানো হচ্ছে: শফিকুর রহমান শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস: ১৯ দিনেই দেশে এলো ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি

    রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস: ১৯ দিনেই দেশে এলো ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মার্চ মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড গড়ার পর এপ্রিল মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহে জোয়ার বইছে। চলতি এপ্রিল মাসের মাত্র ১৯ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন (২১২ কোটি ৭০ লাখ) মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার ৯৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

    রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে চলতি মাস এপ্রিলেও। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এপ্রিলের ১৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন (২১২ কোটি ৭০ লাখ) মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ২৫ হাজার ৯৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

    গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনে ৪০ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা বেশি এসেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, এর আগে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল চলতি বছরের মার্চে। ওই সময় প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

    এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চে, ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, যখন দেশে আসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। আর চতুর্থ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে চলতি বছরের জানুয়ারিতে, ওই মাসে প্রবাসী আয় ছিল ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও অস্থিরতার প্রভাব বৈদেশিক মুদ্রাবাজারেও পড়তে শুরু করেছিল। সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের চাহিদা বেড়ে যায় এবং স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে প্রবাসীরা দেশে পাঠানো ডলারের বিপরীতে তুলনামূলক বেশি টাকা পাচ্ছেন।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বের অন্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন