বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম

লেবাননে গাজার মতো ‘ইয়েলো লাইন’ চালুর পথে ইসরায়েল

লেবাননে গাজার মতো ‘ইয়েলো লাইন’ চালুর পথে ইসরায়েল
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় ব্যবহৃত কৌশলের আদলে এবার লেবাননেও ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে। পূর্বে ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে উপত্যকাটিতে নির্দিষ্ট সীমারেখা বরাবর সেনা প্রত্যাহার করেছিল ইসরায়েল। ওই সীমারেখাকে ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’ বলা হয়। পরবর্তীতে ইসরায়েল জানায়, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপগুলোতেও ওই সীমারেখা থেকে তারা আর পিছিয়ে যাবে না। এটিই গাজা ও ইসরায়েলের ‘নতুন সীমান্ত’ হিসেবে বিবেচিত হবে। একই ধরনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এখন লেবাননেও ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে আইডিএফ সেনারা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পদক্ষেপের ফলে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ফিরে যেতে দেওয়া হবে না, এমনটাই জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর শীর্ষ কর্মকর্তারা। 

তাদের মতে, গাজায় আগে ব্যবহৃত একই কৌশল লেবাননেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ বলতে এমন একটি সীমারেখা বোঝানো হয়, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা নির্ধারণ করে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তা অপ্রবেশযোগ্য থাকে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফ জানায়, লেবাননের বিভিন্ন টার্গেট এলাকায় এই সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাদের সামরিক কার্যক্রম এই রেখা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের নিজ এলাকায় ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চলাকালেও ওইসব এলাকায় ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংসের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ‘যেসব এলাকা দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোতে ভবিষ্যতে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখবে আইডিএফ।’


দৈএনকে/জে, আ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন