হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে নয় যুক্তরাজ্য

হরমুজ প্রণালি অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে সরাসরি অংশ নিচ্ছে না যুক্তরাজ্য। তবে নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা ও উন্মুক্ততা বজায় রাখতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে দেশটি।
ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ কার্যকরের কাজে যুক্তরাজ্য অংশ নেবে না বলে জানতে পেরেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও গার্ডিয়ান। আজ সোমবার এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করতে ব্রিটিশ নৌ জাহাজ ও সৈন্য ব্যবহার করা হবে না, তবে যুক্তরাজ্যের মাইন অপসারণকারী জাহাজ এবং ড্রোন-বিরোধী সক্ষমতা এই অঞ্চলে চালু থাকবে।
যুক্তরাজ্য সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার পক্ষে আমাদের সমর্থন অব্যাহত রাখব। বিশ্ব অর্থনীতি এবং আমাদের দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে এটি জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন।’
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত অবসানে একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এই অবরোধের ঘোষণা দেয়। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার এই অঞ্চলে ‘উত্তেজনা প্রশমনের’ আহ্বান জানিয়েছেন।
পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানকে কোনঠাসা করতে হরমুজ প্রণালি অবরোধের পথ বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার শুরুতে হরমুজ প্রণালী অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ইরানের সব বন্দরে অবরোধ জারির কথা জানায় মার্কিন সামরিক বাহিনী।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এই অবরোধ সব দেশের জাহাজের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ করা হবে। তবে তাদের বাহিনী হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান ছাড়া অন্য যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর চলাচলে বাধা দেবে না।
এদিকে ইরানের রেভ্যুলশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে, প্রণালিটির দিকে এগিয়ে আসা যেকোনো সামরিক জাহাজকে বর্তমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনকারী হিসেবে দেখা হবে। একই সঙ্গে এসব জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দৈএনকে/জে, আ