বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ হাসানের ছোবলে অস্ট্রেলিয়া বিধ্বস্ত, ডারউইনে রূপকথার শুরু
  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক ব্যর্থ: ট্রাম্পের নীরবতায় বাড়ছে প্রশ্ন

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক ব্যর্থ: ট্রাম্পের নীরবতায় বাড়ছে প্রশ্ন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। টানা ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ ও উত্তেজনাপূর্ণ বৈঠকের পর মার্কিন প্রতিনিধি দল পাকিস্তান ত্যাগ করলেও এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বরাজনীতির এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই নীরবতাকে বিশ্লেষকরা ‘অস্বাভাবিক ও উদ্বেগজনক’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

    রোববার (১২ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।    

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পরপরই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রতিক্রিয়া জানান। কিন্তু এবার খোদ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসলামাবাদ থেকে খালি হাতে ফেরার পরও প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে কোনো বার্তা না আসা পরিস্থিতিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।

    কয়েক দিন আগেই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, এই সংঘাতের জেরে একটি ‘সম্পূর্ণ সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে’। এমন চরম বার্তার পর বর্তমানের এই নীরবতা মূলত ঝড়ের আগের নিস্তব্ধতা কি না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

    এদিকে, জেডি ভ্যান্স সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রেখে এসেছে এবং এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়ভার সম্পূর্ণ তেহরানের ওপর।

    ইসলামাবাদের সংলাপ শেষ হলেও এখন বড় প্রশ্ন হলো- কূটনীতি কি এখানেই শেষ, নাকি আবার নতুন করে আলোচনা শুরু হবে? এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অবস্থানের ওপর, কিন্তু এখনো তিনি এ বিষয়ে কিছু বলেননি।

    বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যার মেয়াদ আরও মাত্র ১০ দিন বাকি। পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন যাতে এই সময়ের মধ্যে কোনো একটি সমঝোতায় পৌঁছানো যায়। কিন্তু ট্রাম্পের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছাড়া কোনো চুক্তিই যে স্থায়ী রূপ পাবে না, তা অনেকটা নিশ্চিত।

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মতো পূর্ববর্তী আলোচনাগুলো বছরের পর বছর ধরে চললেও এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। চলমান যুদ্ধের কারণে নতুন করে বেশ কিছু জটিল ইস্যু তৈরি হয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’। ইসলামাবাদে আপাতত কূটনীতির সমাপ্তি ঘটলেও প্রশ্ন উঠছে—প্রকৃতপক্ষে কি আলোচনার পথ বন্ধ হয়ে গেল?


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন