ইসরাইলের দাবি, হিজবুল্লাহ প্রধানের সচিব ও ভাতিজা নিহত

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেমের ব্যক্তিগত সচিব ও ভাতিজা আলি ইউসুফ হারশিকে হত্যা করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বৈরুতের আকাশে বিমান হামলায় তিনি নিহত হন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বৈরুত এলাকায় হামলা চালিয়ে আলি ইউসুফ হারশিকে হত্যা করে। তিনি হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেমের ব্যক্তিগত সচিব ও ভাতিজা।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, হিজবুল্লাহর দাহিয়েহ ঘাঁটির কাছে বৈরুতের তাল্লেত খায়াত এলাকায় চালানো এক হামলায় আলি ইউসুফ হারশিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ফুটেজে দেখা গেছে, হামলায় একটি বহুতল ভবন আংশিক ধসে পড়েছে।
আইডিএফ আরও জানিযেছে, গতরাতে লেবাননের দক্ষিণে লিতানি নদীর দুটি ‘গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে হামলা চালিয়েছে। আইডিএঢের দাবি, এই দুটি ক্রসিং হিজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননে ‘হাজার হাজার অস্ত্র, রকেট ও লঞ্চার’ পাচারের জন্য ব্যবহার করত।
এছাড়া দক্ষিণ লেবাননে প্রায় ১০টি অস্ত্রের ডিপো, রকেট লঞ্চার এবং হিজবুল্লাহর সদর দফতরেও হামলার কথা জানিয়েছে আইডিএফ।
বুধবার মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে লেবাননজুড়ে প্রায় ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বিমান বাহিনী। এসব হামলায় ২৫৪ জন নিহত ও এক হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি চুক্তির কয়েক ঘণ্টা যেতে না যেতেই লেবাননে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালায় ইসরাইলি বিমানবাহিনী। রাজধানী বৈরুত, দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে রাতভর হামলায় বহু মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার এটিকে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন।
দৈএনকে/জে, আ