বাজারে মাছ-মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে

ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষ হলেও নিত্যপণ্যের দাম এখনও অনেকের নাগালের বাইরে থেকে যাচ্ছে। রাজধানীর বাজারে দেখা গেছে, ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ মিলছে না। একই সঙ্গে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজিতে, আর ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৯৫ টাকা।
বাজার সার্ভে অনুযায়ী, প্রতি কেজি পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ২৪০–৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০–৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০–৮০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০–৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ৪০০–৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা। মাছের মধ্যে চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি।
মিরপুর-২ কাঁচা বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা রহিম বলেন, ব্রয়লার দাম কিছুটা কমেছে, সোনালি মুরগি তো আমাদের জন্য সম্ভব নয়। ব্রয়লারেই সন্তুষ্ট। শেওড়াপাড়া ক্রেতা খোকন বলেন, ঈদ আগে দাম বেড়ে গিয়েছিল, কিন্তু এখনও অনেক পণ্য আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। পাঙ্গাশ ২০০–২২০, তেলাপিয়া ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ২০–৩০ টাকার ওঠানামা স্বাভাবিক।
এ ধরনের ঊর্ধ্বমুখী দাম সাধারণ মানুষকে দৈনন্দিন খাবারের খরচ নিয়ন্ত্রণে চাপ দিচ্ছে, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য।