শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • হাদি হত্যা: সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন আদালতে নামঞ্জুর

    হাদি হত্যা: সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন আদালতে নামঞ্জুর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকা আদালত ইনকিলাব মঞ্চের শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার মামলায় অন্যতম আসামি সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে।

    প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত সঞ্জয় চিসিমের পক্ষে করা আবেদনটি আজ বুধবার শুনানি শেষে খারিজ করে দেওয়া হয়।

    বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসামির আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন।

    শুনানি শেষে বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন শহীদ ওসমান হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশাটি পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এদিকে হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

    মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত ও দুষ্কর্মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ৬ জানুয়ারি এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এতে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী ও ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

    অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন– প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু, মো. ফয়সাল, মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ, মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার। আসামিদের মধ্যে ফয়সাল করিমসহ শেষের পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং বিভিন্ন সময়ে হাদির দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এ ছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ‘বাধাগ্রস্ত করতে’ এবং ভোটারদের মধ্যে ‘ভয়ভীতি তৈরি করতে’ আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাদির নির্বাচনী প্রচারে অনুপ্রবেশ করেছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ