বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • সীমান্তবর্তী শহরে বিপর্যয়ে মেয়রের কান্না, নেতানিয়াহুর সমালোচনা

    সীমান্তবর্তী শহরে বিপর্যয়ে মেয়রের কান্না, নেতানিয়াহুর সমালোচনা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার ধাক্কায় উত্তর ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী শহরগুলোতে মৃত্যুপুরীর নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। কিরিয়াত শমোনা শহরের মেয়র আভিচাই স্টার্ন জনসমক্ষে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন, নিজের শহরের বাসিন্দাদের রক্ষা করতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করে।

    বুধবার (২৫ মার্চ) সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে স্টার্ন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের তীব্র সমালোচনা করে এটি এক ‘বড় পরাজয়’ হিসেবে অভিহিত করেন। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা উত্তর ইসরায়েলের জনজীবন ব্যাহত করেছে।

    মেয়র স্টার্ন জানান, ২৪ হাজার জনসংখ্যার এই শহরে বর্তমানে মাত্র ১০ হাজার বাসিন্দা রয়ে গেছেন। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে এক মাসের মধ্যে শহরটি সম্পূর্ণ জনশূন্য হয়ে যেতে পারে। তিনি অভিযোগ করেন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ।

    প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু স্থানীয় মেয়রদের বাসিন্দাদের শহর ছেড়ে চলে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করতে বলেছেন। তবে স্থানীয় কাউন্সিল প্রধানরা প্রধানমন্ত্রীর এই অনুরোধকে উপেক্ষা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    স্টার্ন প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে সাইরেন বাজার মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় পাওয়া যায়, সেখানে পর্যাপ্ত বোম শেল্টার ছাড়া মানুষ কীভাবে নিরাপদে থাকতে পারে। তিনি শহরের প্রায় ৪ হাজার ৭০০টি অরক্ষিত বাড়ি থেকে বৃদ্ধ ও অক্ষম মানুষদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, “লেবানন বা ইরানে যুদ্ধে যা-ই ঘটুক, যদি ইসরায়েলের একটি শহর ধ্বংস বা জনশূন্য হয়ে যায়, তা হবে সবচেয়ে বড় পরাজয়।”

    শুধু স্টার্ন নন, মাত্তে আশের আঞ্চলিক কাউন্সিল প্রধান মোশে দাভিদোভিচও সরকারের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি ২০১৮ সালে ঘোষিত ‘নর্দান শিল্ড’ প্রকল্পের উদাহরণ তুলে ধরে বলেছেন, ২০২৬ সালেও হাজার হাজার মানুষ হিজবুল্লাহর রকেটের মুখে নিরাপত্তাহীন অবস্থায় বসবাস করছেন। সরকারি বাজেটে সুরক্ষা খাতে কম বরাদ্দের কারণে ৫ হাজারেরও বেশি ভবন ঝুঁকিতে রয়েছে।

    উত্তরাঞ্চলীয় মার্গালিওট মোশ্যাভের মেয়র ইতান দাভিদি জানিয়েছেন, সম্প্রতি রকেট হামলায় নিহত ২৭ বছর বয়সী নুরিএল দুবিনের বিয়ে আগামী সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখন তাকে কবরে পাঠাতে হয়েছে। দাভিদি বলেন, “ইসরায়েল আমাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এখন লেবাননের হাতে ছেড়ে দিয়েছে। রাষ্ট্র আমাদের পাশে নেই।”

    বৃহস্পতিবারও হিজবুল্লাহর ছোড়া ক্লাস্টার বোমায় একজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) পাল্টা হামলার দাবি করলেও উত্তরের বাসিন্দারা বলছেন, তারা প্রতিনিয়ত মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন