বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন মরিয়মের বাবার আপসনামা দাখিল, জামিন পেলেন মাকসুদা; কারাগারেই নজরুল
  • সংঘাতের মাঝেও তেল বাণিজ্যে দাপট, প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় ইরানের

    সংঘাতের মাঝেও তেল বাণিজ্যে দাপট, প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় ইরানের
    ছবি: এআই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে টানটান উত্তেজনা এবং চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরানের তেল আয় থেমে নেই। বরং বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার আয় করছে দেশটি, যার প্রায় পুরোটাই আসছে জ্বালানি তেল রপ্তানি থেকে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ, বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এই প্রণালী আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করে এবং বৈশ্বিক তেল ও তরল গ্যাস পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই সম্পন্ন হয়। এজন্যই হরমুজকে প্রায়শই ‘বিশ্ব জ্বালানির প্রবেশদ্বার’ বলা হয়।

    এই প্রণালিতে সীমাবদ্ধতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো বিকল্প রুট খুঁজতে বাধ্য হয়েছে, অনেকেই উৎপাদনও কমিয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।

    এই পরিস্থিতিতে ইরান তার তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল তেল বিদেশে পাঠাচ্ছে দেশটি। খার্গ দ্বীপের টার্মিনাল থেকে এসব তেল হরমুজ প্রণালি হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাচ্ছে।

    যুদ্ধের কারণে উৎপাদনে বড় ধরনের কোনো প্রভাব না পড়লেও বাড়তি দামের কারণে আয় বেড়েছে ইরানের। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে একই পরিমাণ তেল বিক্রি করে দৈনিক প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করত, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ কোটি ডলারে।

    এছাড়া, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকেও টোল আদায় করছে ইরান, যা থেকে প্রতিদিন অতিরিক্ত প্রায় ২০ লাখ ডলার আয় হচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত ইরানের জন্য একদিকে চাপ তৈরি করলেও অন্যদিকে তেল বাজারে বাড়তি লাভের সুযোগও তৈরি করেছে।


    সূত্র: ব্লুমবার্গ, এনডিটিভি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন