বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • কুয়েতের তেল উৎপাদন কমলো হরমুজ সংকটের কারণে

    কুয়েতের তেল উৎপাদন কমলো হরমুজ সংকটের কারণে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েত, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের উৎপাদন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে । মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উত্তোলন ও বিপণন প্রতিষ্ঠান, কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (KPC), এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    কেপিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কৌশলগত বাণিজ্যিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তাজনিত অভাবের কারণে দৈনিক তেলের উত্তোলন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেপিসি। তবে এই সিদ্ধান্ত অস্থায়ী। ইরানে যুদ্ধ শেষ হলে শিগগিরই উৎপাদন আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।  আশা করা হচ্ছে, আগামী ৩ চার মাসের মধ্যে কেপিসি পুরোদমে উৎপাদনে ফিরবে।”

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে দৈনিক কত পরিমাণ তেল উত্তোলন করা হবে— তা উল্লেখ করা হয়নি মঙ্গলবারের বিবৃতিতে। তবে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই তেলের উত্তোলন হ্রাস করেছে কুয়েত। গত ১০ মার্চ মাত্র ৫ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করেছে কুয়েত, যেখানে স্বাভাবিক অবস্থায় দেশটির দৈনিক গড় উত্তোলনের পরিমাণ ৩০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি।

    উল্লেখ্য, আরব সাগর এবং পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট। প্রতিদিন বিশ্বে যত তেল ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে, সেসবের ২০ শতাংশই এই রুট ব্যবহার করে।

    হরমুজ প্রণালীকে ‘জ্বালানির বৈশ্বিক দরজা’-ও বলা হয়, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এই পথ ব্যবহার করেই তাদের তেল রপ্তানি করে। হরমুজ না থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল অতি সহজে পশ্চিমা বিশ্বে সরবরাহ করা যেতো না।

    গত ২৮ তারিখ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী বিভিন্ন জাহাজের ক্রুদের সতর্কবার্তা দেওয়া শুরু করে আইআরজিসি। কয়েকটি জাহাজে হামলাও চালানো হয়। ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম অপারেশনের তথ্য অনুসারে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত এক ডজনেরও বেশি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।

    গতকাল মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংক্রান্ত বিশেষায়িত সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) সদস্যরাষ্ট্রগুলোর কাছে একটি চিঠি দিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং চলমান যুদ্ধে যেসব দেশ ওয়াশিংটন-তেল আবিবকে সমর্থন করছে— তাদের ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশ হিসেবে বিবেচনা করে ইরান এবং যতদিন যুদ্ধ চলবে, ততদিন হরমুজ প্রণালিতে শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজে হামলা অব্যাহত থাকবে।

    ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ চিঠি কুয়েতের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ কুয়েত এ যুদ্ধে সরাসরি অংশ না নিলেও দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকে ইরানে মুহুর্মুহু হামলা করা হচ্ছে। কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৩টি সেনাঘাঁটি আছে।

    সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন