বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন মরিয়মের বাবার আপসনামা দাখিল, জামিন পেলেন মাকসুদা; কারাগারেই নজরুল
  • ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী, লক্ষ্য অধরা—পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী, লক্ষ্য অধরা—পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার দাবি জানিয়েছেন ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিজয়-অর্জনের  । তবে তিনি স্বীকার করেছেন, যেভাবেই লক্ষ্য নিয়ে এই যুদ্ধে নেমেছিল ইসরায়েল, তা এখনও সম্পূর্ণভাবে অর্জিত হয়নি।

    গতকাল রাজধানী জেরুজালেমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গিদেওন সার বলেন, “ইরানের সঙ্গে ‍যুদ্ধে ইতোমধ্যে আমরা বিজয় পেয়েছি। ইরান নাটকীয়ভাবে দুর্বল হয়েছে এবং এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে যেমন ছিল— সেই অবস্থায় আর ফিরতে পারবে না দেশটি।”

    “তবে যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা যুদ্ধ শুরু করেছিলাম, তা এখনও অর্জিত হয়নি। ইরানের ক্ষমতামীন সরকার আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি এবং আমরা সেই হুমকি সমূলে উপড়ে ফেলতে চাই। এখনও এটি ঘটেনি। আমাদের অবশ্যই ধৈর্য্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে এবং মিশন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ করতে হবে।”

    ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

    তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

    হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইতেমধ্যে ইরানে নিহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।

    তবে এত ক্ষয়ক্ষতির পরও সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন