শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • ডিজিটাল যুগেও হাতে ঘড়ি পরা মানুষের গুরুত্ব

    ডিজিটাল যুগেও হাতে ঘড়ি পরা মানুষের গুরুত্ব
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আজকাল সময় দেখার জন্য আমরা প্রায়শই পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করি। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা এখনো হাতঘড়ি ব্যবহার করেন, তারা অন্যদের তুলনায় বেশি সচেতন এবং মনোযোগী। গবেষকরা বলছেন, এর পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে।

    প্রথমত, হাতঘড়ি পরা মানুষরা অনিচ্ছাকৃত সময় নষ্ট থেকে মুক্ত থাকেন। স্মার্টফোনে সময় দেখতে গেলে নোটিফিকেশন বা অন্যান্য অ্যাপের প্রলোভনে অনেক সময় চলে যায়, কিন্তু ঘড়ি পরা ব্যক্তিরা শুধু সময়টুকুই দেখে কাজের দিকে ফিরে যান।

    দ্বিতীয়ত, হাতঘড়ি পরা ব্যক্তি সময়ের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রাখেন। মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, ঘড়ির দিকে তাকানো একটি ‘ইচ্ছাকৃত কাজ’, যা তাদের দায়িত্বশীলতা এবং সময় সচেতনতার পরিচয় বহন করে।

    তৃতীয়ত, তারা প্রযুক্তির সাথে সীমানা নির্ধারণ করতে সক্ষম। হাতঘড়ি ব্যবহারকারীরা সময় দেখার সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল কোলাহল থেকে নিজেদের পৃথক রাখেন এবং বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগী থাকেন।

    চতুর্থত, হাতঘড়ি হলো একটি একক উদ্দেশ্যের যন্ত্র। স্মার্টফোনে হাজারো কাজ করা যায়, কিন্তু হাতঘড়ি কেবল সময় দেখায়। এটি মস্তিষ্ককে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকে মুক্ত রাখে এবং ‘ডিসিশন ফ্যাটিগ’ বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্লান্তি কমিয়ে মানসিক শান্তি বজায় রাখে।

    পঞ্চমত, হাতঘড়ি পরা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এবং সফল ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্বের অংশ। এটি শুধু ফ্যাশন নয়, বরং সময়ের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণের প্রতীক।

    যারা এখনো হাতঘড়ি পরেন, তারা ডিজিটাল কোলাহলের মাঝেও মনোযোগ এবং সময়ের মূল্য বুঝতে সক্ষম হয়েছেন। তারা একটি সীমানা তৈরি করেছেন, যা অনেকেই অজান্তেই হারিয়ে ফেলেছেন।

    সময় হলো জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। আপনি কীভাবে এর হিসাব রাখছেন, তা আপনার ব্যক্তিত্ব এবং অগ্রাধিকার সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দেয়।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ