ওমানের ‘নন-ইমার্জেন্সি’ কর্মীদের দেশে ফেরার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশ ওমানের ‘নন-ইমার্জেন্সি’ কর্মীদের দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকটের কারণেই দেওয়া হয়েছে এ নির্দেশ।
দূতাবাসের কর্মীদের ফিরে আসার নির্দেশের পাশাপাশি ওমানে যেতে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কাবার্তাও জারি করা হয়েছে শুক্রবারের বিবৃতিতে; বলা হয়েছে, “সশস্ত্র সংঘাত এবং সন্ত্রাসবাদের কারণে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় যেসব মার্কিন নাগরিক ওমান কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক— তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”
মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করেছে, “সশস্ত্র সংঘাত এবং সন্ত্রাসবাদের কারণে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ওমান বা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশে যেসব মার্কিন নাগরিক ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক, তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”
ওমানের দূতাবাসসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন দূতাবাসে ইতোমধ্যেই ‘লেভেল ৪’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ৬-২৭ ফেব্রুয়ারি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়া ২৭ ফেব্রুয়ারি সংলাপ শেষ হয়। এর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে, সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায়।
এর জবাবে ইরান, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের ৬ উপসাগরীয় দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ইরানের দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ওমানে ২ জন নিহত হন। ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কর্মীদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেয়।