বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরপুরে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ হাম আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, তীব্র নিন্দা ঢাকার পশুর হাটে নিরাপত্তায় আসছে হটলাইন ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুর টেস্টে নাটকীয় মোড়, জয়ের খুব কাছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বড় চমক: ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ হলে মিলবে গাড়ি মার্কেট খোলা রাখার সময়সীমা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত সিলেটেই হচ্ছে দ্বিতীয় টেস্ট, অপরিবর্তিত বাংলাদেশ স্কোয়াড ঘোষণা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, ঈদের আগেই দেশে আনার চেষ্টা
  • রমজানের শেষ দশকে নবীজী রাসুল (সা.)-এর রুটিন

    রমজানের শেষ দশকে নবীজী রাসুল (সা.)-এর রুটিন
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রমজান মাসের শেষ দশক মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সময়। এই সময়টিতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষভাবে ইবাদত-বন্দেগিতে মনোযোগী হতেন। তিনি নিজে বেশি ইবাদত করতেন এবং পরিবারের সদস্যদেরও ইবাদতের জন্য উৎসাহিত করতেন। কোরআন ও সুন্নাহয় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায়।

    রমজানের শেষ দশকে রাসুলুল্লাহর (সা.) ইবাদতের ধরন

    রমজানের শেষ দশক শুরু হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতজেগে ইবাদত করতেন। হাদিসে হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, এই সময় তিনি পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন এবং ইবাদতের জন্য প্রস্তুত হতেন। এতে ছিল নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়া।

    রাসুলুল্লাহ (সা.) শুধু নিজে ইবাদত করতেন না, বরং পরিবারের সদস্যদেরও ইবাদতের পরিবেশে রাখতেন। এটি তাঁর সুন্নাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

    এতেকাফের গুরুত্ব

    রমজানের শেষ দশকে এতেকাফের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) যতদিন পর্যন্ত আল্লাহ তাঁকে মৃত্যু দান করেননি, এই সময় মসজিদে অবস্থান করে একাগ্রতার সঙ্গে ইবাদত করতেন। এতেকাফের মাধ্যমে তিনি আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করতেন।

    লাইলাতুল কদরের মাহাত্ম্য

    রমজানের শেষ দশকে বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান করা হয়। কোরআনে বলা হয়েছে, লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এই রাতের বরকত ও তাওবা মুসলমানের জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

    রমজানের শেষ দশক ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনে বিশেষ সময়। তিনি এই সময় নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া, জিকির ও এতেকাফের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতেন এবং পরিবারের সদস্যদেরও উৎসাহিত করতেন। মুসলমানরা এই সুন্নাহ অনুসরণ করে এই দশককে ইবাদতে কাটালে আল্লাহর অশেষ বরকত লাভ করতে পারেন এবং লাইলাতুল কদরের সন্ধান করতে পারেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ