রমজানের শেষ দশকে নবীজী রাসুল (সা.)-এর রুটিন

রমজান মাসের শেষ দশক মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সময়। এই সময়টিতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষভাবে ইবাদত-বন্দেগিতে মনোযোগী হতেন। তিনি নিজে বেশি ইবাদত করতেন এবং পরিবারের সদস্যদেরও ইবাদতের জন্য উৎসাহিত করতেন। কোরআন ও সুন্নাহয় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায়।
রমজানের শেষ দশকে রাসুলুল্লাহর (সা.) ইবাদতের ধরন
রমজানের শেষ দশক শুরু হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতজেগে ইবাদত করতেন। হাদিসে হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, এই সময় তিনি পরিবারকে জাগিয়ে দিতেন এবং ইবাদতের জন্য প্রস্তুত হতেন। এতে ছিল নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়া।
রাসুলুল্লাহ (সা.) শুধু নিজে ইবাদত করতেন না, বরং পরিবারের সদস্যদেরও ইবাদতের পরিবেশে রাখতেন। এটি তাঁর সুন্নাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এতেকাফের গুরুত্ব
রমজানের শেষ দশকে এতেকাফের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) যতদিন পর্যন্ত আল্লাহ তাঁকে মৃত্যু দান করেননি, এই সময় মসজিদে অবস্থান করে একাগ্রতার সঙ্গে ইবাদত করতেন। এতেকাফের মাধ্যমে তিনি আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করতেন।
লাইলাতুল কদরের মাহাত্ম্য
রমজানের শেষ দশকে বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান করা হয়। কোরআনে বলা হয়েছে, লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এই রাতের বরকত ও তাওবা মুসলমানের জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।