হরমুজ অবরোধে ইরানকে তীব্র প্রতিশোধের হুমকি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ট্যাঙ্কার চলাচলে বাধা দিলে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র “২০ গুণ বেশি শক্তিতে” আঘাত হানবে। তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ইরানের ওপর “মৃত্যু, আগুন এবং ক্রোধ” নেমে আসবে।
সোমবার এক সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বা যুদ্ধ খুব দ্রুতই শেষ হতে পারে এবং তিনি তা “নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই” ঘোষণা করেছেন। তবে হরমুজ প্রণালী অবরোধ বা সেখানে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে তেল ট্যাঙ্কারের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালেও লিখেছেন, “যদি ইরান এমন কিছু করে যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর এখন পর্যন্ত যতটা আঘাত করেছে তার চেয়ে ২০ গুণ বেশি আঘাত হানবে।”
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সহজেই ধ্বংসযোগ্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাবে, যার ফলে ইরানের জন্য পুনরায় একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। তবে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন, এমন পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়।
তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করে বলেন, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার কারণে তেলের দাম বেড়েছে, তবে তিনি মোকাবিলার জন্য একটি পরিকল্পনা রেখেছেন। তিনি বলেন, “আমার সবকিছুর জন্য একটি পরিকল্পনা আছে। আমেরিকানরা এতে খুব খুশি হবে এবং তেলের দাম কমে যাবে।”
দক্ষিণ ফ্লোরিডার ডোরাল এলাকায় নিজের গলফ ক্লাবের বলরুমে তিন দিনের সম্মেলনে হাউস রিপাবলিকানদের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার এই কঠোর অবস্থানকে চীনসহ অন্যান্য দেশগুলো “উপহার” হিসেবে দেখা উচিত, কারণ এতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বজায় থাকবে।
দৈএনকে/জে, আ