সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • মজুত যথেষ্ট থাকলেও কাটছে না তেলের শঙ্কা; পাম্পে উপচে পড়া ভিড়

    মজুত যথেষ্ট থাকলেও কাটছে না তেলের শঙ্কা; পাম্পে উপচে পড়া ভিড়
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সরকার বারবার বারবার বলা হলেও জনগণের মধ্যে তেলের সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা কমছে না। গত রোববার রাজধানীর অধিকাংশ পাম্পে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে, অনেক পাম্পে তেল না থাকার কারণে বন্ধও ছিল। পাম্প কর্মকর্তারা জানান, গত শুক্র ও শনিবার ডিপো বন্ধ থাকার কারণে সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি বছরের এই সময় গত বছরের তুলনায় বাজারে ২৫ শতাংশ কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং এই পরিমাণই রেশনিং করা হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে রেশনিং ব্যবস্থা বজায় রাখা প্রয়োজন। তিনি জানিয়েছেন, বিদ্যুতের দাম আপাতত বাড়ানো হবে না।

    সরকারি নির্দেশে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশি টহল বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামের বিক্রয় রোধ করা হবে।

    চট্টগ্রাম বন্দরে তেল-গ্যাসের ১০টি জাহাজ

    চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ১০টি জাহাজে প্রায় পৌনে ৪ লাখ টন জ্বালানি পণ্য। এর মধ্যে:

    ৪টি জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)

    ২টি জাহাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)

    ৪টি জাহাজে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি পণ্য

    কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে এসেছে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামের দুটি জাহাজ। আজ আরও দুটি জাহাজ ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাবে। সব মিলিয়ে এই চারটি জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে।

    ওমান উপসাগর থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘সেভান’ ও ‘জি ওয়াইএমএম’ নামের দুটি জাহাজ, মোট ৪১,৪৮৮ টন এলপিজি।

    ডিজেল নিয়ে বন্দরে আসছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামের একটি জাহাজ ৩১ হাজার টন ধারণ ক্ষমতাসহ, যা ১২ মার্চ পৌঁছাবে। মালয়েশিয়া থেকে ১৪ হাজার টন কনডেনসেট এবং সিঙ্গাপুর থেকে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেলও বন্দরে এসেছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর ৪ মার্চও এলপিজি ও ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছিল, যেগুলি খালাসের পর শুক্রবার ছাড়ে।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত ও বাজার নিয়ন্ত্রণ

    সরকার জানিয়েছে, তেলের বাজারে সংকট তৈরি ও অসাধু ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মজুত রোধের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন