বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন মরিয়মের বাবার আপসনামা দাখিল, জামিন পেলেন মাকসুদা; কারাগারেই নজরুল
  • যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদি থেকে কর্মী ফিরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদি থেকে কর্মী ফিরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় (নন-ইমার্জেন্সি) কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    গতকাল এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সৌদিতে ইরানের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জেরে সৃষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে নোটিশে।

    সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে যারা সৌদিতে ভ্রমণে যেতে ইচ্ছুক, তাদরও সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে নোটিশে। বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের যেসব নাগরিক সৌদিতে ভ্রমন করতে ইচ্ছুক, তাদের ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা, সশস্ত্র সংঘাত, সন্ত্রাস, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিষয়ক বিধিনিষেধের বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হচ্ছ।”

    ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

    তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

    হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। সৌদির মার্কিন ঘাঁটি, মার্কিন দূতাবাস এবং তেলের স্থাপনায় গত এক সপ্তাহে কয়েক দফা হামলা হয়েছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন