রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ছে নারী প্রতিনিধিত্ব: জলি তালুকদার

    পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ছে নারী প্রতিনিধিত্ব: জলি তালুকদার
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশে নারী নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনার পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেশের রাজনীতির চরিত্রকে দায়ী করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-র প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার। তিনি বলেন, রাজনীতিতে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার প্রভাবের কারণে নারীরা এখনো প্রকৃত অর্থে সমান সুযোগ পাচ্ছেন না।

    শনিবার (৭ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে সিপিবি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    জলি তালুকদার বলেন, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে যারা নির্বাচিত হন, তাদের মনোনয়ন নির্ধারণের ক্ষেত্রেও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার পুরুষদের প্রভাব অত্যন্ত বেশি। ফলে নারীদের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি অনেক সময় প্রকৃত অর্থে নারীদের মতামত বা যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না।

    তিনি আরও বলেন, সমাজে এখনো নারীদেরকে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা হয়। রাজনীতিতে টাকার প্রভাব, ভোট কেনাবেচা, সন্ত্রাস ও প্রশাসনিক কারসাজির যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, সেই অপরাজনীতির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নারীদের এগিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

    জলি তালুকদার বলেন, দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের যে ঘটনাগুলো ঘটে, তার পেছনেও রাজনীতির চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি রাষ্ট্রের রাজনীতি কেমন হবে, তার ওপরই নির্ভর করে সেই দেশের নারীদের অবস্থান কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হবে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সবাই অবগত। অন্যদিকে বিরোধী দলে এমন শক্তিও রয়েছে, যারা অতীতে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে এবং যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় লাখো নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারা হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে এবং দেশ উন্নয়নের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হয়রানিমূলক রাজনীতির সংস্কৃতি এখনো বন্ধ হয়নি।

    তিনি বলেন, সমাজে যেকোনো অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে। এমনকি যাদের সঙ্গে আমাদের মতভেদ রয়েছে, তাদের সঙ্গেও যদি অন্যায় আচরণ করা হয়, সেক্ষেত্রেও ন্যায়বিচারের স্বার্থে আমাদের প্রতিবাদ করা উচিত।

    সিপিবি আয়োজিত এই আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্যকলা বিভাগের শিক্ষক দীপ্তি দত্ত, চিকিৎসক আখতার বানু, সিপিবি ও কৃষক সমিতির সদস্য লাকী আক্তার, সিপিবির ঢাকা দক্ষিণ শাখার নারী বিভাগের সম্পাদক মমতা চক্রবর্তী এবং বস্তিবাসী ইউনিয়নের সভাপতি কুলসুম বেগমসহ আরও অনেকে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন