শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • ট্রাম্পের ইরান নীতি অব্যাহত, সিনেট প্রস্তাব পাস হয়নি

    ট্রাম্পের ইরান নীতি অব্যাহত, সিনেট প্রস্তাব পাস হয়নি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইরানে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন সিনেটে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবটি পাস হয়নি। সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন।

    পরমাণু ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কংগ্রেসের সম্মতি না নিয়েই যুদ্ধ শুরু করায় বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। 

    ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা চেয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে বিরোধীরা। যা যুদ্ধের পঞ্চমদিন গত বুধবার (৪ মার্চ) ভোটাভুটির জন্য পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে তোলা হয়।
     
    ভোটাভুটিতে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। ১০০ সদস্যের মধ্যে ৫২ জন প্রস্তাবটির বিপক্ষে এবং ৪৭ জন পক্ষে ভোট দেন। ফলে যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার এই ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজুলেশন’ আটকে যায়।

    এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের তীব্রতা আরও বেড়েছে। বুধবার যুদ্ধের পঞ্চমদিনে ইরানের পাশাপাশি লেবাননে হামলা জোরদার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইরানে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।
     
    জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক স্থাপনা কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে আঘাত হানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। আর দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেটে বিস্ফোরিত হয় ইরানের ড্রোন।
     
    ইরান যুদ্ধ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ১২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের হামলা, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালীর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ নেয়াসহ অঞ্চলজুড়ে দেখা দেয়া অস্থিরতা যুক্তরাষ্ট্রের এ যুদ্ধে জড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    এ যুদ্ধ এখন নৌ ও স্থলপথেও চলছে। বুধবার লেবাননের আরও ভেতরে ঢুকেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এদিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলঙ্কার উপকূলে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন থেকে হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ৮৭ জন নিহত হন। এ ঘটনায় এখনও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।
     
    ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, দুটি বিমানবাহী রণতরি ও বোমারু বিমান অংশ নিয়েছে। কিন্তু ইরানের পাল্টা হামলায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনকে নতুন করে যুদ্ধের কৌশল নিয়ে ভাবতে হচ্ছে।
     
    এ যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর অস্ত্রের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য ওয়াশিংটন শুক্রবার (৬ মার্চ) লকহিড মার্টিনসহ বিভিন্ন অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বসার চিন্তা করছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এমন পরিস্থিতিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা সামনে আসছে। তবে সেটিও খুব সহজ হবে না বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের গবেষক ক্রিস্টোফার প্রেবল বুধবার আল-জাজিরাকে বলেন, ‘এটি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ নয়। আর ইরাকের চেয়ে ইরান তিন থেকে চার গুণ বড়। দেশজুড়ে হামলা চালানোর মতো সেনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। ফলে স্থল অভিযানে গেলে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে ট্রাম্প প্রশাসন।’


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন