শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • ইসরায়েলে হঠাৎ উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক যুদ্ধবিমান

    ইসরায়েলে হঠাৎ উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক যুদ্ধবিমান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অত্যাধুনিক ‘এফ-২২ স্টিলথ’ যুদ্ধবিমান ইসরায়েলের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

    এফ-২২ যুদ্ধবিমানকে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় এবং ভয়ঙ্কর আকাশযান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর প্রধান শক্তি হলো এটি রাডারকে পুরোপুরি ফাঁকি দিয়ে শত্রুর সীমানায় ঢুকে নিখুঁত হামলা চালাতে সক্ষম। প্রযুক্তির গোপনীয়তা রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এই বিমানটি এমনকি তাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কাছেও বিক্রি করে না।

    ক্ষিপ্রতা এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধে পারদর্শী এই স্টিলথ বিমানগুলোর ইসরায়েলে পৌঁছানো মানে হলো, তেহরানের প্রতিরক্ষা দেয়াল মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা এখন মার্কিন বাহিনীর হাতের নাগালে।

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পিতভাবে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে চলেছে। বিশাল বিমানবাহী রণতরী এবং শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজের বহর ইতিমধ্যে এই অঞ্চলে অবস্থান নিয়েছে। এখন এফ-২২ যুদ্ধবিমানের এই অন্তর্ভুক্তি মার্কিন সামরিক শক্তির পূর্ণতা দিচ্ছে। 

    ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে যে পরিমাণ মার্কিন রণসজ্জা রয়েছে, তা দিয়ে ইরানের ওপর টানা চার থেকে পাঁচ দিন তীব্র হামলা চালানো সম্ভব। 

    এই রণপ্রস্তুতির সমান্তরালে কূটনৈতিক আলোচনার শেষ প্রদীপটিও জ্বলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 

    কূটনীতিকরা বলছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এটিই হতে পারে দুই দেশের জন্য শেষ সুযোগ। যদি এই আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে মার্কিন বাহিনী তাদের এই মোতায়েন করা শক্তি ব্যবহার করে ইরানে হামলা শুরু করতে পারে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ছোট পরিসরে আঘাত হানবে যাতে ইরানকে তাদের শর্ত মানতে বাধ্য করা যায়।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন