নেক আমল করুন, কিন্তু বিনয়ী হওয়া অপরিহার্য

সম্প্রতি ইসলামী শিক্ষাবিদরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন—নেক আমল করার পাশাপাশি অন্তরের বিনয় ও নম্রতা অপরিহার্য। শুধু বাহ্যিক ইবাদত বা ফজরের আগে মসজিদে হাজির হওয়া, তাহাজ্জুদ পড়া, সিয়াম পালন বা কুরআন তিলাওয়াত যথেষ্ট নয়।
একজন পরিচিত নেক ব্যক্তি নিজের দৃষ্টান্তে দেখালেন, কীভাবে অহংকার নীরবে অন্তরকে ভারী করে এবং আল্লাহর নূর থেকে দূরে রাখে।
তিনি একবার বলেছিলেন:
“আমার মতো নেক লোক এখন খুব কম আছে।”
সাধারণ মনে হলেও এই এক বাক্য তার অন্তরে কিবর (অহংকার) বপন করে। এরপর ধীরে ধীরে তার দোয়া ও ইবাদতে প্রশান্তি হারাতে শুরু করে।
ইসলামী শিক্ষাবিদরা স্মরণ করান, রাসূলুল্লাহ ﷺ স্পষ্টভাবে বলেছেন:
❝যার অন্তরে কণা পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।❞
[সহিহ হাদিস]
অহংকার শুধুমাত্র দাম্ভিক আচরণ নয়। নিজের আমল নিয়ে গর্ব করা, অন্যকে নিজের থেকে নিচে ভাবা, নিজের ভুল মানতে না চাওয়াও অহংকারের অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিবেদকের মতে, এই ব্যক্তি অবশেষে বুঝতে পারে—জান্নাত অর্জন আমলেই নয়, অন্তরের বিনয় ও আল্লাহর রহমতের উপর নির্ভর করে। তিনি নিঃশব্দে সিজদায় পড়ে বলেন:
“ইয়া আল্লাহ, আমার আমল নয়—আমাকে তোমার রহমতই বাঁচাবে।”
শিক্ষা ও সতর্কবার্তা
- নেক আমল করো, কিন্তু নিজের প্রতি বিনয়ী হও।
- নিজের প্রশংসা নয়, আল্লাহর দয়ার আশা রাখো।
- জান্নাত অর্জন কেবল আমল নয়, বিনয় ও তাওবায় নিহিত।
আমাদের প্রতিটি আমল কি সত্যিই বিনয়ী করছে, নাকি নিঃশব্দে অহংকার বাড়াচ্ছে—নিজেকে প্রশ্ন করা প্রয়োজন।
দৈএনকে/জে, আ