রমাদানে শুধু রোজা যথেষ্ট নয়, চরিত্রও গুরুত্বপূর্ণ

পবিত্র রমাদান মাসে উপোষ রাখা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তবে শুধু না খেয়ে থাকা বা উপোষ পালন করলেই রোজার সওয়াব পাবেন না।
রোজার পূর্ণ সওয়াবের জন্য চরিত্র উন্নত করা, মিথ্যা বাচন পরিহার করা, আমানত রক্ষা করা এবং গীবত বা অন্য কাউকে অপমান না করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“কত রোজাদার আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না!”
[সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৬৯০]
এ প্রসঙ্গে হাদিসে উল্লেখ আছে:
“যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে এবং সে অনুযায়ী কাজও করে, তার রোজা আল্লাহ গ্রহণ করবেন না।”
[সহিহ বুখারী: ১৯০৩]
অর্থাৎ, রোজা কেবল খাদ্য ও পানির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখার নাম নয়, বরং এটি চরিত্র গঠনের মাসও বটে। সচ্চরিত্রবান মুসলমানরাই রোজার পূর্ণ সওয়াব অর্জন করতে পারেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেছেন:
“যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জিম্মাদার।”
[সুনানে আবু দাউদ: ৪৮০০]
রমাদান মাসে শুধু রোজা রাখা নয়, চরিত্রের উন্নতি এবং নৈতিক দিক বজায় রাখা সমান গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহর কাছে কবুলযোগ্য রোজার জন্য চরিত্র ও নৈতিকতার বিকাশ অপরিহার্য।
দৈএনকে/জে, আ