শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • ৩১ বছর অতিক্রান্ত, অসলো চুক্তি বাস্তবে ফেল

    ৩১ বছর অতিক্রান্ত, অসলো চুক্তি বাস্তবে ফেল
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অসলো চুক্তির ৩১ বছর পরও পশ্চিম তীরে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অঞ্চল এ, বি ও সি বিভাজন, ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ, সামরিক অভিযান এবং ২০২৩ সালের গাজা যুদ্ধ—সব মিলিয়ে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকট আরও জটিল রূপ ধারণ করেছে।

    অসলো চুক্তি সইয়ের ৩১ বছর পরও পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বন্দ্বের সমাধান হয়নি। বরং ওই অঞ্চলে ক্রমেই ইসরায়েলি দখলদারিত্ব বাড়ছে। ফিলিস্তিনের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। প্রতিনিয়ত ঘটছে হতাহত ও নির্বিচারে গ্রেপ্তারের ঘটনা।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৩ সালে সই হওয়া অসলো চুক্তির অধীনে পশ্চিম তীরকে তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। এগুলো হলো এ, বি ও সি।

    অঞ্চল এ-তে মূলত ফিলিস্তিনিদের বাস। সেখানে ইসরায়েলের কোনো বসতি নেই। তবে নিরাপত্তার অজুহাতে প্রায়ই এই অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

    পশ্চিম তীরের ২২ শতাংশজুড়ে রয়েছে অঞ্চল–বি। এটি দ্বৈত-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হয়। জনসেবা এবং অবকাঠামোসহ বেসামরিক বিষয়গুলো তত্ত্বাবধান করে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। আর নিরাপত্তার বিষয়টি দেখে ইসরায়েল।

    অঞ্চল–সি রয়েছে পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ জুড়ে। এই অঞ্চল পুরোপুরি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। ইসরায়েলি বসতিগুলো এখানেই অবস্থিত।

    অসলো চুক্তির অধীনে পাঁচ বছরের মধ্যে পশ্চীম তীরে দ্বি-রাষ্ট্রের ভিত্তিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হওয়ার কথা ছিল। যা আজও সম্ভব হয়নি।

    মেনা চাথাম হাউসের সিনিয়র ফেলো ইয়োসি মেকেলবার্গ বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা এখনও তিনটি আলাদা প্রশাসনিক অঞ্চল নিয়ে কথা বলছি। অসলো চুক্তি সইয়ের ৩১ বছর পরও এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। বরং প্রতিনিয়ত বিরোধ বাড়ছে। ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল আলাদা রাষ্ট্র তৈরির ভিত্তিতে সংকট সমাধানের প্রক্রিয়াটি একেবারের ভেঙে পড়েছে।’

    সময় যতই গড়াচ্ছে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখলদারিত্ব ক্রমেই বাড়ছে। নতুন নতুন আইনের অনুমোদন দিয়ে এই পথ আরও মসৃণ করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।

    ইয়োসি মেকেলবার্গ আরও বলেন, দখলদারিত্ব ক্রমেই বাড়ছে। ফিলিস্তিনের জন্য নির্ধারিত এলাকাগুলোতে প্রবেশ করে নানা নির্যাতন চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। কোনো অভিযোগ ছাড়াই নির্বিচারে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের আটক করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির উত্তরণ প্রয়োজন। কারণ বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের বাসিন্দাই স্বাধীনভাবে বাঁচতে চায়।

    ২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিম তীরে সহিংসতা বেড়েছে। শত শত ফিলিস্তিনি নিহতের পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে হাজারো ফিলিস্তিনি।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন