শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ল

    মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ল
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও উদ্বেগের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ কাতারে মোবাইল মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের বরাত দিয়ে রয়টার্স।

    সাধারণ সেমি-স্ট্যাটিক লাঞ্চারের তুলনায় মোবাইল মিসাইল লাঞ্চার থেকে অনেক দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া সম্ভব। পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনের মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল লাঞ্চারগুলো থেকে দূরপাল্লার প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যাবে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট বিশ্বের সেরা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।

    মধ্যপ্রাচ্যের ৮টি দেশে সেনাঘাঁটি আছে যুক্তরাষ্ট্রের। দেশগুলো হলো ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং তুরস্ক। এসবের মধ্যে কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৫ সালের জুন মাসে সংঘাতের সময় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে ঘাঁটিটির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। মোবাইল মিসাইল লাঞ্চার মোতায়েনের জন্য সেই আল-উদেইদ ঘাঁটিই বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দু’যুগ ধরে তেহরানের সঙ্গে উত্তজনা চলছে ওয়াশিংটনের। ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এ উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

    ২০২৪ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। তার ধারাবাকিতাতেই ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান-ইসরায়েলের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। তারপর থেকে যুদ্ধবিরতি চললেও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর্যায়ে নেই এখনও।

    এর মধ্যে গত ডিসেম্বরে ইরানে ব্যাপকমাত্রায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর ফের যুক্তিরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। গত জানুয়ারির মাঝামাঝি আরব সাগরের মধ্যপ্রাচ্য অংশে নিজেদের বিশাল আকৃতির বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ বেশ কয়েকটি রণতরী মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে আরব সাগর, লোহিত সাগর, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের ৫টি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ এবং শত শত রণতরী টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে।

    এদিকে একই সময়ে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ওমানে ইরানের প্রতিনিধি সঙ্গে বৈঠকও চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। গত জুন মাসেও এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধি দলের বৈঠকের মধ্যেই ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল এবং পরে তাতে যোগ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রও।

    সেবার ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রস্তুত না থাকলেও এবার চিত্র ভিন্ন। আরব সাগরে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের আগমনের পরদিনই হরমুজ প্রণালী এলাকায় সামরিক মহড়ার ঘোষণা দেয় ইরান। ওই এলাকার আকাশসীমায় উড়োজাহাজ চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দেয়।

    গত ৯ ফেব্রুয়ারি ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইরান রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ভূখণ্ডে হামলা করে— তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে ইরান।

    আইআরজিসি এই বিবৃতি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আল উদেইদের ঘাঁটিতে মোবাইল মিসাইল লাঞ্চার মোতায়েনের করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন