রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • আজ টেডি ডে

    ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের চতুর্থ দিন

    ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের চতুর্থ দিন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আজ ১০ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের চতুর্থ দিন— টেডি ডে । চকলেটের মিষ্টতার পর আজকের দিনটি সম্পর্কের কোমলতা এবং বন্ধুত্বের এক সুন্দর বহিঃপ্রকাশ।

    নিচে টেডি ডে-এর গুরুত্ব এবং এই দিনটি নিয়ে কিছু মজার তথ্য দেওয়া হলো:

    কেন পালন করা হয় টেডি ডে?
    চকলেট বা ফুলের মতো টেডি বিয়ারও ভালোবাসার অন্যতম একটি বড় প্রতীক। এর কোমলতা  এবং আদুরে ভাব প্রিয়জনকে মানসিকভাবে শান্তি দেয়। অনেক সময় প্রিয় মানুষটি পাশে না থাকলেও একটি টেডি বিয়ার তার উপস্থিতি মনে করিয়ে দেয়। এটি সম্পর্কের মধ্যে নির্ভরতা এবং যত্নের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

    টেডি বিয়ারের রঙের গোপন অর্থ
    আপনি আপনার প্রিয়জনকে কোন রঙের টেডি দিচ্ছেন, তার কিন্তু আলাদা মানে হতে পারে:

    • লাল টেডি: গভীর ভালোবাসা এবং আবেগের প্রতীক।
    • গোলাপি টেডি: প্রেম বা বন্ধুত্বের প্রস্তাব কবুল করার ইঙ্গিত।
    • নীল টেডি: আপনার ভালোবাসা যে অনেক গভীর এবং আপনি সম্পর্কের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তা বোঝায়।
    • হলুদ টেডি: এটি সাধারণত বন্ধুত্বের বা বিচ্ছেদের দুঃখ ভোলার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    • সাদা টেডি: পবিত্র এবং সুন্দর মনের পরিচয় দেয়।

    যেভাবে এলো টেডি ডে

    ১৯০২ সালের নভেম্বরে মিসিসিপিতে শিকারে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট। সে সময় মিসিসিপি ও লুইজিয়ানার সীমান্ত সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও সেদিন কোনো ভালো শিকার পাননি রুজভেল্ট। প্রেসিডেন্টকে খুশি করতে সঙ্গীরা লুইজিয়ানার একটি কালো ভাল্লুকের ছানা ধরে এনে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন।

    কিন্তু সেই অসহায় ছানাটির ওপর গুলি চালাতে মন সায় দেয়নি রুজভেল্টের। তখন শিকার নিয়ে এত কঠোর আইন না থাকলেও তিনি ছানাটিকে ছেড়ে দেন। সমাজে শিকারকে বীরত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হলেও প্রেসিডেন্টের এই মানবিক সিদ্ধান্ত সবার দৃষ্টি কাড়ে। পরদিন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয় ঘটনাটি।

    এই ঘটনার ওপর ভিত্তি করে ‘ড্রইং দ্য লাইন ইন মিসিসিপি’ শিরোনামে একটি কার্টুন আঁকেন ওয়াশিংটন স্টার-এর কার্টুনিস্ট ক্লিফর্ড বেরিম্যান। সেখানে দেখা যায়, রাইফেল হাতে দাঁড়িয়ে আছেন রুজভেল্ট, আর তার পেছনে ছোট্ট এক ভাল্লুকের ছানা।

    সেই কার্টুন দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে আমেরিকার খেলনা ব্যবসায়ী মরিস মিকটম ও তার স্ত্রী প্রথম তৈরি করেন একটি টেডি বিয়ার। তাদের কোম্পানির নাম ছিল ‘আইডিয়াল নভেলটি অ্যান্ড টয় কোম্পানি’। শুরুতে এটি বিক্রির জন্য নয়, কেবল প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই দোকানের জানালায় সাজিয়ে রাখা হয়েছিল টেডিটি। পাশে রাখা হয় বেরিম্যানের আঁকা সেই কার্টুনের কপি।

    কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ক্রেতারা দোকানে ঢুকেই টেডিটি কিনতে আগ্রহ দেখাতে থাকেন। তখন মিকটম সরাসরি প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের কাছে গিয়ে তার ও স্ত্রীর তৈরি টেডি বিয়ার বিক্রির অনুমতি চান। সেখান থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে জন্ম নেয় ‘টেডি বিয়ার’। পরে ১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘আইডিয়াল টয় কোম্পানি’।

    তারপর থেকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে টেডি বিয়ার। আদুরে এই পুতুলটি শুধু উপহার হিসেবে ব্যবহার হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে 'টেডি বিয়ার, মিউজিয়াম পর্যন্ত তৈরি হয়েছে। টেডি বিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনেক বই এবং চলচ্চিত্র।

    তাই নিজের অনুপস্থিতি ঘোচাতে প্রিয়জনদের পছন্দের টেডি উপহার দিতে পারেন। প্রিয়জন ছাড়াও বন্ধু, আত্মীয় এমনকি বাবা-মাকেও এই উপহার দিতে পারেন। এতে তারা খুশি হবেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ