রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • কম্বলের বাইরে পা রাখুন, ঘুমের সমস্যা কমাতে সহায়ক

    কম্বলের বাইরে পা রাখুন, ঘুমের সমস্যা কমাতে সহায়ক
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিছানায় যাওয়ার অনেকক্ষণ পরও কি আপনার চোখে ঘুম আসে না? এপাশ-ওপাশ করেই কি রাত কাটে? তবে আপনার জন্য একটি সহজ ও অদ্ভুত সমাধান দিচ্ছে আধুনিক বিজ্ঞান। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, ঘুমানোর সময় কম্বলের বাইরে মাত্র একটি পা বের করে রাখলেই দ্রুত এবং গভীর ঘুম আসতে পারে।

    থার্মোরেগুলেশন বা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ

    এই প্রক্রিয়ার পেছনে মূল চাবিকাঠি হলো শরীরের ‘থার্মোরেgulation’ বা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বিজ্ঞানের ভাষায়, মানুষের গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হওয়ার জন্য শরীরের মূল তাপমাত্রা (Core body temperature) কিছুটা কমে আসা প্রয়োজন। যখন শরীর ঠান্ডা হতে শুরু করে, তখনই মস্তিষ্ক ঘুমের সংকেত পায়।

    পা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় হাত এবং পা দিয়ে অতিরিক্ত তাপ দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে। আমাদের পায়ের পাতায় এমন কিছু বিশেষ রক্তনালী থাকে যা রক্তকে ঠান্ডা করতে এবং শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। গবেষকরা বলছেন, একটি পা কম্বলের বাইরে রাখলে শরীরের অতিরিক্ত তাপ বেরিয়ে যায়, যা শরীরকে দ্রুত ঠান্ডা হতে এবং মস্তিষ্ককে ঘুমের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করে।

    এটি কি সবার জন্য কার্যকর?

    তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেছেন যে, এই পদ্ধতিটি ‘নিশ্চিত সমাধান’ নয় বরং একটি ‘সহায়ক অভ্যাস’। কারণ এর কার্যকারিতা ব্যক্তির শরীরের গঠন, ঘরের তাপমাত্রা, কম্বলের ধরন এবং ব্যক্তিগত অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। একেক জনের শরীরের বিপাকীয় ক্ষমতা একেক রকম হওয়ায় সবার ক্ষেত্রে এটি একইভাবে কাজ নাও করতে পারে।

    অনিদ্রায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য এটি একটি সহজ ঘরোয়া পরীক্ষা হতে পারে। তবে ঘুমের মান উন্নত করতে ঘরের আরামদায়ক তাপমাত্রা এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাসের ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ