বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হাম-ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩১৯২ পদত্যাগের পর শূন্য হলো মিষ্টির সংসদীয় আসন আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের জামিন নামঞ্জুর আশুলিয়ায় ৬ জনকে পুড়িয়ে মারার সেই পুলিশ ভ্যান উদ্ধার, ‘জুলাই জাদুঘরে’ সংরক্ষণের দাবি   পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
  • লিবিয়ায় দীর্ঘদিন আটক থাকা দুই শতাধিক অভিবাসী উদ্ধার

    লিবিয়ায় দীর্ঘদিন আটক থাকা দুই শতাধিক অভিবাসী উদ্ধার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    লিবিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুফরা শহরের একটি ‘গোপন কারাগার’ থেকে ২০০ জনের বেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে অনেকেই সেখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আটক ছিলেন। রোববার কুফরার অন্তত দুটি নিরাপত্তা সূত্র এই তথ্য ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, প্রায় তিন মিটার গভীর একটি ভূগর্ভস্থ কারাগারের সন্ধান পাওয়া গেছে; যেখানে অমানবিক পরিবেশে অভিবাসীদের আটকে রাখা হয়েছিল। তাদের দাবি, লিবীয় এক মানবপাচারকারী কারাগারটি পরিচালনা করছিলেন। তবে ওই ব্যক্তিকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী জানিয়েছে।

    দেশটির এক কর্মকর্তা বলেছেন, মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে কেউ কেউ টানা দুই বছর পর্যন্ত ওই ভূগর্ভস্থ কারাগারে বন্দি ছিলেন। এই ঘটনাকে মানবতার বিরুদ্ধে অন্যতম ভয়াবহ অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।

    নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে শহরের ভেতরে থাকা গোপন কারাগারে একাধিক অমানবিক ভূগর্ভস্থ কক্ষের অস্তিত্ব পাওয়া যায় বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্ত অভিবাসীরা মূলত সাব-সাহারান আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা—বিশেষ করে সোমালিয়া ও ইরিত্রিয়ার নাগরিক। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

    লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার দূরে দেশটির পূর্বাঞ্চলে কুফরা শহরের অবস্থান।

    ২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত গণ-অভ্যুত্থানে মুয়াম্মার আল গাদ্দাফির পতনের পর থেকে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে লিবিয়া। সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে আসা মানুষজন মরুভূমি ও ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার বিপজ্জনক পথে লিবিয়ায় ঢুকছেন।

    তেলসমৃদ্ধ লিবিয়ার অর্থনীতিও অনেক দরিদ্র অভিবাসীর কাছে কাজের জন্য আকর্ষণীয় হলেও দেশটির দুর্বল নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তারা প্রায়ই নির্যাতন, পাচার ও সহিংসতার শিকার হন।

    গত সপ্তাহে পূর্ব লিবিয়ায় একটি গণকবর থেকে অন্তত ২১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দেশটির একাধিক নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, ওই দলের মধ্যে জীবিত উদ্ধার প্রায় ১০ জনের শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন ছিল।

    লিবিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, গণকবরের সন্ধান পাওয়ার ঘটনায় ‘অভিবাসীদের ওপর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুফরা এলাকায় প্রায় ৫৫টি গণকবর থেকে ৩৯ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২০২৩ সালে সুদানে সংঘাত শুরু হওয়ার পর পালিয়ে আসা কয়েক দশক হাজার সুদানি শরণার্থীও ওই শহরে বসবাস করছেন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন