শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: নিহত বেড়ে ৫ ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস
  • এক বছরে রেকর্ডসংখ্যক ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    এক বছরে রেকর্ডসংখ্যক ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসন নীতিতে আরও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটিতে বৈধভাবে অবস্থানরত বহু বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে এক লাখের বেশি ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ও বিশেষায়িত পেশাজীবীদের ভিসার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য বলে জানা গেছে।

    সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর পুনরায় দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে। অভিবাসন প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, বাতিল হওয়া ভিসার মধ্যে ৮ হাজার শিক্ষার্থী এবং ২ হাজার ৫০০ বিশেষায়িত পেশাজীবীও রয়েছেন।

    পোস্টে আরও বলা হয়, যাদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে, তাদের বড় অংশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘অপরাধসংক্রান্ত যোগাযোগ’ ছিল। তবে এসব ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

    আল জাজিরা বলছে, ভিসা বাতিলের এই বড় সংখ্যা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন দমননীতির ব্যাপকতাই তুলে ধরছে। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর যে কঠোর অভিযান শুরু করেন, তার আওতায় এখন পর্যন্ত ২৫ লাখের বেশি মানুষ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ বা বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছে প্রশাসন। গত মাসে একে তারা ‘রেকর্ড গড়া সাফল্য’ হিসেবেও উল্লেখ করে।

    তবে এসব বহিষ্কারের মধ্যে বৈধ ভিসাধারীরাও ছিলেন। আর এটিই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে ভিসা দেয়ার নীতিও আরও কঠোর করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে এবং আবেদনকারীদের অতীত ঘটনাবলী যাচাইয়ের পরিধি বাড়ানো হয়েছে।

    পররাষ্ট্র দপ্তর এক্সে দেয়া পোস্টে বলেছে, ‘আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে আমরা এসব দুষ্কৃতকারীকে বহিষ্কার করতে থাকব।’

    পররাষ্ট্র দপ্তরের উপমুখপাত্র টমি পিগট জানান, ভিসা বাতিলের চারটি প্রধান কারণ হলো— নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা এবং চুরি। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় ভিসা বাতিলের সংখ্যা ১৫০ শতাংশ বেড়েছে।

    এছাড়া ‘কন্টিনিউয়াস ভেটিং সেন্টার’ নামে একটি নতুন কেন্দ্র চালু করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর। পিগট জানান, এর লক্ষ্য হলো— যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিক দেশটির আইন মেনে চলছেন কিনা তা নিশ্চিত করা এবং যারা মার্কিন নাগরিকদের জন্য হুমকি বলে বিবেচিত, তাদের ভিসা দ্রুত বাতিল করা।

    মূলত যুক্তরাষ্ট্রে কারা প্রবেশ করতে পারবেন সে বিষয়টি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব ভিসা আবেদনকারীকে ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় মনে করে তাদের বিষয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে মার্কিন কূটনীতিকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    এর আগে গত বছরের নভেম্বরেও পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ট্রাম্পের শপথ নেয়ার পর থেকে প্রায় ৮০ হাজার নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে অপরাধের তালিকায় ছিল মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা ও চুরি।


    দৈএনকে/ জে,আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন