বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হাম-ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩১৯২ পদত্যাগের পর শূন্য হলো মিষ্টির সংসদীয় আসন আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের জামিন নামঞ্জুর আশুলিয়ায় ৬ জনকে পুড়িয়ে মারার সেই পুলিশ ভ্যান উদ্ধার, ‘জুলাই জাদুঘরে’ সংরক্ষণের দাবি   পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
  • রাশিয়ান তেল কেনার কারণে নয়াদিল্লি শুল্ক চাপের মুখে

    রাশিয়ান তেল কেনার কারণে নয়াদিল্লি শুল্ক চাপের মুখে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন, কারণ নয়াদিল্লি এখনও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখছে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় ট্রাম্প এই অবস্থার প্রতি তার ‘অসন্তোষ’ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বিষয়টি জানতেন।

    ট্রাম্প বলেন, “ভারত রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালাচ্ছে। আমরা খুব শীঘ্রই তাদের ওপর আরও শুল্ক আরোপ করতে পারি।” তবুও তিনি মোদীর প্রশংসা করতে ছাড়েননি, বলেন, “মোদী একজন দারুণ মানুষ। কিন্তু উনি জানতেন আমি খুশি নই। আমাকে সন্তুষ্ট রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।”

    ট্রাম্প ভারতের রাশিয়া থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারছেন না। গত অক্টোবর তিনি দাবি করেছিলেন যে মোদী তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে, যদিও ভারতের পক্ষ থেকে তখন স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল এই আলোচনা হয়নি।

    উল্লেখযোগ্য, রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করার কারণে ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে, যার ফলে ভারতের পণ্যের ওপর মোট শুল্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবেও নয়াদিল্লির ওপর চাপ রয়েছে রাশিয়ান তেল আমদানি বন্ধ করার জন্য। একই সঙ্গে রাশিয়ার দুই বড় তেল সংস্থা রসনেফ্ট ও লুকঅয়েলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আছে।

    তবে নয়াদিল্লি বারবার জানাচ্ছে, দেশের ভোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনা করেই তারা সিদ্ধান্ত নেবে। পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে সস্তা তেল পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা বিবেচনায় রাখা হবে। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আমেরিকা মস্কোর তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। সেই সুযোগে ভারত রাশিয়া থেকে তেলের আমদানি বাড়াতে থাকে এবং বর্তমানে চীনের পর ভারতের অবস্থান রুশ তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা হিসেবে।

    ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, রাশিয়া এই তেলের বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার করছে। বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত সমাধানে সফল হলেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে এখনও সক্ষম হয়নি। তাই হোয়াইট হাউস এই অবস্থায় পুতিনের দেশকে কৌশলগতভাবে আলোচনার টেবিলে বসাতে চায়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন