বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হাম-ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩১৯২ পদত্যাগের পর শূন্য হলো মিষ্টির সংসদীয় আসন আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের জামিন নামঞ্জুর আশুলিয়ায় ৬ জনকে পুড়িয়ে মারার সেই পুলিশ ভ্যান উদ্ধার, ‘জুলাই জাদুঘরে’ সংরক্ষণের দাবি   পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
  • জয়শঙ্করের পরিকল্পিত বৈঠক ও পাকিস্তান স্পিকারের অভিমত

    জয়শঙ্করের পরিকল্পিত বৈঠক ও পাকিস্তান স্পিকারের অভিমত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে করমর্দন ও পুরো কথোপকথন—সবই ছিল পরিকল্পিত ও গণমাধ্যমের জন্য দৃশ্যমান। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক জানিয়েছেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মূলত জয়শঙ্করের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ সফরে তারা অভাবনীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। খবর জিও নিউজ।

    জিও নিউজের অনুষ্ঠান ‘আজ শাহজেব খানজাদা কে সাথ’-এ কথা বলতে গিয়ে আয়াজ সাদিক বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করতে তিনি ঢাকায় ছিলেন। এ সময় পার্লামেন্ট কমপ্লেক্সের একটি ওয়েটিং রুমে ইতোমধ্যেই পাকিস্তান, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে সেখানেই প্রবেশ করেন জয়শঙ্করের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় প্রতিনিধি দল।

    পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের এই স্পিকার জানান, ঘরে ঢুকেই জয়শঙ্কর প্রথমে অন্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর ইচ্ছে করেই তার দিকে এগিয়ে এসে হাত বাড়ান। আয়াজ সাদিক বলেন, ‘আমি তখন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলছিলাম। একপর্যায়ে তিনি (জয়শঙ্কর) আমার কাছে এসে সালাম দিলেন, নিজের পরিচয় দিলেন। আমি যখন পরিচয় দিতে যাচ্ছি, তখনই বললেন—‘এক্সেলেন্সি, আমি আপনাকে চিনি, আপনার পরিচয় দেয়ার দরকার নেই’।’

    আয়াজ সাদিক বলেন, জয়শঙ্করের সঙ্গে ক্যামেরা দলও ছিল— মানে তিনি ভালোভাবেই জানতেন এই সাক্ষাৎ রেকর্ড হবে এবং গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে। তার ভাষায়, ‘তিনি খুব ভালো করেই জানতেন তিনি কী করছেন এবং এটা মিডিয়ায় আসবেই’।

    স্পিকার আরও জানান, তিনি অনুভব করেছিলেন, ওই কক্ষে থাকা সবার নজরই ছিল এই সাক্ষাৎকারের দিকে। তিনি জয়শঙ্করকে ‘চতুর রাজনীতিক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, মুহূর্তটির গুরুত্ব এবং দেখানোর দিকটা তিনি ভালোই জানেন।

    জিও টিভির অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে আয়াজ সাদিক আরও জানান, বাংলাদেশ সফরে তিনি অত্যন্ত উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। পথে পথে মানুষ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ এবং ‘আই লাভ পাকিস্তান’ স্লোগান দিচ্ছিল। জানাজাস্থলে যাওয়ার পথে জনসাধারণের প্রতিক্রিয়ার কথাও বলেন তিনি।

    তিনি জানান, তার গাড়িতে পাকিস্তানের পতাকা লাগানো ছিল। পথের মানুষ পতাকা চিনে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল। তার ভাষায়, ‘নিরাপত্তার কথা ভেবে আমাদের জানালা না নামাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি নামাই। সঙ্গে সঙ্গেই মানুষ ছবি তোলার জন্য এগিয়ে আসে।’

    সাদিক বলেন, অনেকেই তার সঙ্গে করমর্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে চেয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে তাকে না চিনলেও সবাই জানতেন— তিনি পাকিস্তানের প্রতিনিধি। তিনি বলেন, ‘পুলিশ বারবার জনসাধারণকে সরিয়ে দিচ্ছিল, কিন্তু তারা আবার ফিরে আসছিল’। পাকিস্তানের এই স্পিকার বলেন, পুরো সফর জুড়েই তিনি পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান শুনেছেন। বাংলাদেশের এই অভ্যর্থনাকে তিনি ‘অসাধারণ উৎসাহ-ব্যাঞ্জক’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন