বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

তরুণদের জন্য ১৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

তরুণদের জন্য ১৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

দেশের নিম্নআয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার (১৫০.৭৫ মিলিয়ন ডলার) ঋণ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এই অর্থায়নের মূল লক্ষ্য নারী ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট’ (RAISE) প্রকল্পের আওতায় এ অতিরিক্ত অর্থায়ন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত ২ লাখ ৩৩ হাজার সুবিধাভোগীর পাশাপাশি আরও ১ লাখ ৭৬ হাজার তরুণ এই প্রকল্পের আওতায় সহায়তা পাবেন।

প্রকল্পের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি (Apprenticeship), উদ্যোক্তা উন্নয়ন সহায়তা ও ক্ষুদ্রঋণ সুবিধা পাবেন। এসব কার্যক্রম তরুণদের কর্মসংস্থান ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সহায়ক হবে।

বিশেষভাবে নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে উন্নত মানের শিশু যত্ন কেন্দ্র (চাইল্ড কেয়ার) স্থাপন এবং জলবায়ু সহনশীল জীবিকা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেল মার্টিন বলেন, “একটি ভালো চাকরি একটি জীবন, একটি পরিবার এবং একটি সমাজ বদলে দিতে পারে। প্রতি বছর বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত কাজ পাচ্ছে না। এই অতিরিক্ত অর্থায়ন নিম্নআয়ের তরুণদের, বিশেষ করে নারীদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।”

প্রকল্পের টিম লিডার অনিকা রহমান বলেন, “RAISE প্রকল্প ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে যে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে। নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে মানসম্মত শিশু যত্নের মতো উদ্ভাবনী উদ্যোগ যুক্ত করা হচ্ছে, যা নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ বাড়াবে।”

বিশ্বব্যাংক আরও জানায়, প্রকল্পটি শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও সম্প্রসারিত করা হবে। বাড়িভিত্তিক মানসম্মত ও সাশ্রয়ী শিশু যত্ন সেবা চালুর লক্ষ্যে নারীদের প্রশিক্ষণ ও স্টার্ট-আপ অনুদান দেওয়া হবে। এতে নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও বিকাশেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এ ছাড়া নিয়োগকর্তা ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে জব ফেয়ার বা চাকরি মেলার আয়োজন করা হবে। ২০২১ সালে শুরু হওয়া RAISE প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষানবিশ কোর্স শেষ করার তিন মাসের মধ্যে কর্মসংস্থান পেয়েছেন। এ পর্যন্ত প্রকল্পটি ৫০ হাজারের বেশি করোনা-ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বিদেশফেরত অভিবাসীকে সহায়তা দিয়েছে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন