বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

গুগলের ল্যারি পেইজের চমকপ্রদ উত্থান, শীর্ষ ১০ ধনীর মধ্যে প্রযুক্তির দাপট

গুগলের ল্যারি পেইজের চমকপ্রদ উত্থান, শীর্ষ ১০ ধনীর মধ্যে প্রযুক্তির দাপট
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় চমকপ্রদ উত্থান ঘটিয়েছেন। ফোর্বস সাময়িকী অনুযায়ী, ৫২ বছর বয়সী পেইজ এবার জীবনে প্রথমবারের মতো বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধনী হিসেবে স্থান দখল করেছেন। ১ ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী তার সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৬২ বিলিয়ন ডলার, যা মাত্র এক মাসে ৩০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই উত্থান গুগলের এআই প্রযুক্তিতে অভাবনীয় সাফল্যের সরাসরি প্রতিফলন।

এই অবস্থান ধরে পেইজ ওরাকলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসনকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে, টেসলা, স্পেসএক্স এবং নতুন এআই কোম্পানি এক্সএআই-এর মূল্যায়নের কারণে ইলন মাস্ক শীর্ষে রয়েছেন। ৫৪ বছর বয়সী মাস্কের সম্পদ বর্তমানে ৪৮৩ বিলিয়ন ডলার হলেও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী এটি ১৫ বিলিয়ন ডলার কমেছে। তিনি ২০২৪ সালের মে থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির খেতাব ধরে রেখেছেন।

প্রযুক্তি খাতের আধিপত্য স্পষ্ট। শীর্ষ ১০ ধনীর মধ্যে সবাই পুরুষ, এবং তাদের নেট ওয়ার্থ ১৫২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বাজারের ওঠানামার সঙ্গে প্রতিদিন এই সম্পদের পরিমাণ পরিবর্তিত হলেও, ডিসেম্বরের শুরুতে তাদের সম্মিলিত সম্পদ প্রায় ২.৮ ট্রিলিয়ন ডলার।

বিল গেটস দীর্ঘদিনের বিলিয়নিয়ার আইকন হিসেবে শীর্ষ ১০-এ ছিলেন, তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরের নতুন মূল্যায়নের পর তিনি তালিকা থেকে ছিটকে গেছেন।

ডিসেম্বর ১, ২০২৫–এর শীর্ষ ১০ ধনী:

  • ইলন মাস্ক (৪৮৩ বিলিয়ন ডলার) – টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সএআই-এর নেতৃত্বে বিশ্বের শীর্ষ ধনী।

  • ল্যারি পেইজ (২৬২ বিলিয়ন ডলার) – গুগল সহ-প্রতিষ্ঠাতা; এআই সাফল্যে রেকর্ড উত্থান।

  • ল্যারি এলিসন (২৫৩ বিলিয়ন ডলার) – ওরাকলের দীর্ঘদিনের শীর্ষপদ।

  • জেফ বেজোস (২৪৫ বিলিয়ন ডলার) – অ্যামাজন ও এডব্লিউএস-এর বাজার সম্প্রসারণে সম্পদ বৃদ্ধি।

  • সের্গেই ব্রিন (২৪২ বিলিয়ন ডলার) – গুগলের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা; এআইয়ে লাভ।

  • মার্ক জাকারবার্গ (২৬৪ বিলিয়ন ডলার) – মেটার এআই ও মেটাভার্স বিনিয়োগে সফল।

  • বার্নার্ড আর্নল্ট (১৪০ বিলিয়ন ডলার) – এলভিএমএইচ সাম্রাজ্যের মালিক।

  • জেনসেন হুয়াং (১৫৮ বিলিয়ন ডলার) – এনভিডিয়ার এআই চিপের চাহিদা বৃদ্ধি।

  • মাইকেল ডেল (১৫২ বিলিয়ন ডলার) – ডেলের সার্ভার ও এআই হার্ডওয়্যারে লাভ।

  • ওয়ারেন বাফেট (১৫২ বিলিয়ন ডলার) – বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের বহুমুখী বিনিয়োগ।

এই তালিকা প্রযুক্তি খাতের ধনীদের দাপট এবং এআই প্রভাবকে প্রতিফলিত করে, যা বাজারের অস্থিরতার মধ্যেও অব্যাহত রয়েছে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন