শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • ‘চুক্তি খুব কাছে’, ইউক্রেন নিয়ে বড় বার্তা কিথ কেলগের

    ‘চুক্তি খুব কাছে’, ইউক্রেন নিয়ে বড় বার্তা কিথ কেলগের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইউক্রেনে যুদ্ধ থামানোর সম্ভাবনা এখন হাতের নাগালেই—এমনটাই জানালেন দেশটিতে দায়িত্ব পালনরত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদায়ী বিশেষ দূত কিথ কেলগ। তাঁর মতে, শান্তিচুক্তির পথে এগোতে দুটি বড় রাজনৈতিক প্রশ্নের সমাধানই এখন মূল চাবিকাঠি। একটি হলো দোনবাস অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, আর অন্যটি জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা।

    রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক অভিযান চালানোর আগে দীর্ঘ আট বছর ধরে দোনবাসে ইউক্রেনীয় বাহিনী ও রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে নিয়ে গঠিত এই অঞ্চলটি এখনো দুই দেশের টানাপড়েনের কেন্দ্রে রয়েছে।

    ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘাতে পরিণত হয়েছে রুশ–ইউক্রেন যুদ্ধ। এই সংঘাত শুধু দুই দেশেরই নয়, বরং রাশিয়া ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর মধ্যকার সম্পর্কেও নজিরবিহীন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি জটিল হলেও কিথ কেলগ আশাবাদী—দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সমঝোতা হলে শান্তির দ্বার খুলে যাবে।

    কেলগ রিগ্যান ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোরামে বলেন, আলোচনার অগ্রগতি এখন শেষ ১০ মিটারে, যা তিনি সবচেয়ে কঠিন ধাপ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    কেলগ বলেন, এই দুইটি বিষয় সমাধান করতে পারলেই বাকি বিষয়গুলো সহজেই এগোবে। আমরা প্রায় পৌঁছে গেছি… সত্যিই খুব কাছাকাছি।

    ভিয়েতনাম, পানামা ও ইরাকে যুদ্ধ করা এই সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধে হতাহত মানুষের সংখ্যা ভয়াবহ এবং আঞ্চলিক যুদ্ধে এমন মাত্রার ক্ষয়ক্ষতি নজিরবিহীন।

    তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই পক্ষ মিলিয়ে নিহত ও আহত মিলিয়ে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে রাশিয়া ও ইউক্রেন কেউই তাদের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির নির্ভরযোগ্য সংখ্যা প্রকাশ করে না।

    রাশিয়া বলে, পশ্চিমা দেশগুলোর দেওয়া ক্ষতির হিসাব অতিরঞ্জিত। অন্যদিকে ইউক্রেন দাবি করে, রাশিয়া ইউক্রেনের ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা বাড়িয়ে বলে।

    বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯.২ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, যার মধ্যে রয়েছে ২০১৪ সালে দখল করা ক্রিমিয়া, পুরো লুহানস্ক, ডোনেৎস্কের ৮০ শতাংশ–এর বেশি, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়ার বড় অংশ এবং আরও কয়েকটি অঞ্চলের ছোট ছোট এলাকা।

    গত মাসে ফাঁস হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবের ২৮টি খসড়া ইউক্রেন ও ইউরোপীয় নেতাদের উদ্বিগ্ন করে। তারা বলেন, এসব প্রস্তাবে ন্যাটো, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর সীমাবদ্ধতা এবং রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

    রাশিয়া এখন বলছে, প্রস্তাবগুলো ২৭টি পয়েন্টে সাজানো হয়েছে, যা চারটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে তাদের বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার জানান, তিনি মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ করেছেন।

    ক্রেমলিন শুক্রবার জানায়, সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির খসড়া তৈরির মূল দায়িত্ব কুশনারই পালন করবেন বলে তারা আশা করছে। 
     


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন