শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হাম-ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩১৯২ পদত্যাগের পর শূন্য হলো মিষ্টির সংসদীয় আসন আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের জামিন নামঞ্জুর আশুলিয়ায় ৬ জনকে পুড়িয়ে মারার সেই পুলিশ ভ্যান উদ্ধার, ‘জুলাই জাদুঘরে’ সংরক্ষণের দাবি   পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
  • হোয়াইট হাউসের নতুন নীতি: ভারত আন্তর্জাতিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার

    হোয়াইট হাউসের নতুন নীতি: ভারত আন্তর্জাতিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে (National Security Strategy) ভারতকে বিশেষ ‘গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন হোয়াইট হাউসের মাধ্যমে জানিয়েছেন, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা—এই তিনটি মূল খাতে নয়াদিল্লির সঙ্গে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা হবে।

    হোয়াইট হাউসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রের যৌথ উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত করতে চায়। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করা হবে, যাতে ভারত-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

    অর্থনীতি ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতা প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করেছে, ভারতকে মার্কিন নীতি ও প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করবে।

    হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত নতুন নথিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চায়। একই সঙ্গে, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গঠিত কোয়াডের মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নয়াদিল্লির অব্যাহত সহযোগিতা প্রত্যাশিত।

    নথিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে, “আমাদের ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা উন্নত করতে হবে।” ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে বলা হয়েছে বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় অর্ধেকের উৎস, যা আগামী শতাব্দীতে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হবে।

    মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে তার মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে (যাদের সম্মিলিত অর্থনীতি ৬৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সমান) কাজ করবে। নথিতে লক্ষ্য রাখা হয়েছে শোষণমূলক অর্থনৈতিক আচরণ মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করার।

    এছাড়া, কোয়াডের মাধ্যমে চতুর্মুখী সহযোগিতার ওপর মার্কিন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। ওয়াশিংটন এই গ্রুপকে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে দেখছে। নথিতে বলা হয়েছে, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বজায় রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা সংরক্ষণে কোয়াড অপরিহার্য। 


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন