শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • উত্তেজনার মাঝেই ভারত আসছেন আফগান বাণিজ্যমন্ত্রী

    উত্তেজনার মাঝেই ভারত আসছেন আফগান বাণিজ্যমন্ত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝেও আফগানিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী নুরুদ্দিন আজিজি ভারতের চিরশত্রু দেশ সফরে যাচ্ছেন। আজ বুধবার তিনি নয়াদিল্লিতে পৌঁছাবেন।

    ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৫ দিনের সফরে নয়াদিল্লি আসছেন আফগানিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী। ভারত ও আফগানিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের আওতা আরও বৃদ্ধি করা এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা এ সফরের প্রধান উদ্দেশ্য।

    ভারতীয় সূত্রে জানা গেছে, এ সফরে ভারতের বাণিজ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন নুরুদ্দিন। সেই সঙ্গে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ারেও (আইআইটিএফ) অংশ নেবেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, আফগান পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার ভারত। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আফগানিস্তান থেকে যেসব পণ্য ভারত আমদানি করেছে, সেগুলো হলো— ডুমুর, হিং (একপ্রকার মসলা), কিশমিশ, আপেল, রসুন, জাফরান, মৌরি, অ্যালমন্ড বাদাম, অ্যাপ্রিকট (একপ্রকার ফল), পেঁয়াজ, বেদানা এবং কাঠবাদাম।

    গত বহু দশক ধরে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক অংশীদার ছিল পাকিস্তান। প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের বাৎসরিক বাণিজ্যের ভলিউম ১৭০ কোটি ডলারেরও বেশি। এই কিছুদিন আগ পর্যন্তও পাকিস্তান থেকে নিয়মিত কৃষিজ, জ্বালানি, ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য আমদানি করত আফগানিস্তান। পাকিস্তানও ফল, শাকসবজি, মসলা, গমসহ বিভিন্ন কৃষিজ ও খাদ্যপণ্য আমদানি করত আফগানিস্তান থেকে।

    তবে পাকিস্তানের সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে ঘিরে সম্প্রতি ব্যাপক তিক্ততা সৃষ্টি হয়েছে ইসলামাবাদ এবং কাবুলের মধ্যে। টিটিপির নেতা-কর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়-অর্থ-প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার— এমন অভিযোগ গত প্রায় ৪ বছর ধরে করে আসছে ইসলামাবাদ, তবে কাবুল বরাবরই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

    টিটিপিকে নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গত ৯ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর সীমান্তে সংঘাতের পর প্রথমে কাতার এবং পরে তুরস্কে শান্তি সংলাপে বসেছিলেন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সরকারি প্রতিনিধিরা। কিন্তু কোনো প্রকার সমঝোতাচুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে সেই সংলাপ।

    এদিকে, সীমান্তে সংঘাতের শুরু থেকেই আফগানিস্তানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য বন্ধ রেখেছে পাকিস্তান। স্থলবন্দর ও বাণিজ্যরুটগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছে আফগানিস্তানের রপ্তানি খাত।

    এই অবস্থায় পাকিস্তানি পণ্য ও বাণিজ্য রুটের ওপর নির্ভরতা কমাতে আফগান ব্যবসায়ীদের ৩ মাস সময় দিয়েছে তালেবান সরকার। আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার গত ১২ নভেম্বর এক সংবাদসম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    কাবুলে তার সেই সংবাদ সম্মেলনের ৬ দিনের মাথায় ভারতে আসছেন আফগানিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী। তার এই সফরের এক মাস আগে ভারতে ঘুরে গেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন