শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • দিল্লিতে দূষণের তাণ্ডব, নিঃশ্বাসের বাতাসও এখন বিষাক্ত

    দিল্লিতে দূষণের তাণ্ডব, নিঃশ্বাসের বাতাসও এখন বিষাক্ত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিষাক্ত ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে গেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। শ্বাসরুদ্ধকর বায়ুদূষণের কারণে বিপর্যস্ত নগরবাসী। পরিস্থিতির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ, বায়ুদূষণ রোধে সরকারের কাছে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

    রাস্তায় নামা বিক্ষুব্ধদের অনেকেই হাতে প্ল্যাকার্ডে লিখেছিলেন— “আমি নিঃশ্বাস নিতে চাই”। রোববার (৯ নভেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

    বার্তাসংস্থাটি বলছে, বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। শ্বাসরুদ্ধকর এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে রোববার রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ মানুষ। ‘আমরা নিঃশ্বাস নিতে চাই’, ‘আমরা বাঁচতে চাই’, ‘আমি শুধু নিঃশ্বাস নিতে চাই’— এমন সব প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভকারীরা সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

    নয়াদিল্লিতে প্রায় তিন কোটি মানুষ বসবাস করেন। এই মহানগরী বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত রাজধানীগুলোর তালিকায় নিয়মিতভাবেই শীর্ষে থাকে। প্রতিবছরই শীতের সময় ঘন ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় পুরো শহর। ঠান্ডা বাতাসের কারণে কারখানার ধোঁয়া, যানবাহনের ধুলা ও কৃষিজমির ফসল পোড়ানোর ধোঁয়া মিশে এক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয় দিল্লির বাতাস।

    প্রতিবাদে অংশ নেওয়া নামরতা যাদব নামে এক নারী বলেন, “আমি আজ এখানে এসেছি একজন মা হিসেবে। আমি চাই না আমার সন্তান একদিন জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে যাক”। তিনি ছেলেকে সঙ্গে নিয়েই বিক্ষোভে যোগ দেন।

    সংবাদমাধ্যম বলছে, রোববার রাজধানীর ঐতিহাসিক ইন্ডিয়া গেটের কাছে বিক্ষোভ হয়। সেখানে বাতাসে পিএম ২.৫ মাত্রা ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সীমার চেয়ে ১৩ গুণ বেশি। এ ধরনের ক্ষুদ্র কণা রক্তে প্রবেশ করে ক্যানসারসহ মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

    তনভি কুসুম নামে অন্য এক বিক্ষোভকারী বলেন, “প্রতি বছর একই গল্প— দূষণ বাড়ে, মানুষ কষ্ট পায়, কিন্তু কোনো সমাধান হয় না। এখন সরকারকে চাপ দিতে হবে।”

    অবশ্য দূষণ কমাতে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন উদ্যোগ দিয়েছে। এরমধ্যে ডিজেল ও পেট্রলচালিত গাড়ির আংশিক নিয়ন্ত্রণ বা পানি ছিটিয়ে ধুলো কমানোর প্রচেষ্টাও রয়েছে। তবে সরকারি এসব উদ্যোগের কোনোটিতেই উল্লেখযোগ্য ফল আসেনি।

    এক তরুণী বলেন, “দূষণ আমাদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।”

    ২০১৯ সালে প্রকাশিত দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ-এর এক গবেষণা অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ভারতে বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের।

    জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ সতর্ক করে জানিয়েছে, দূষিত বাতাস শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের তীব্র সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।


    দৈএনকে/ জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন