কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের অবস্থান জানা গেল

পশ্চিমবঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে ৪৯তম কলকাতা বইমেলার দিনক্ষণ। তবে এবছরও অংশ নিচ্ছে না প্রতিবেশী বাংলাদেশ। অন্তত এমনটাই মনে করছেন কলকাতা বইমেলা আয়োজকরা।
পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব। বাকিটা সময়ের সঙ্গে দেখা যাক।”
উল্লেখ্য, ভারতের সবচেয়ে বড় বইমেলার নাম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। ৪৮তম বইমেলাতেও অংশ নেয়নি বাংলাদেশ। ফলে বইমেলার ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয় বছর অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ। বিগত বছরের কলকাতা বইমেলা নানাভাবে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এবারও তার ছন্দ কাটলো। যা নিয়ে যথেষ্ট হতাশ বইমেলা কতৃপক্ষ।
এদিকে দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের অংশ নিতে কোনো সমস্যা নেই। বাংলাদেশ রাজি আছে। চেষ্টা চলছে কলকাতা বইমেলায় যাতে বাংলাদেশ অংশ নিতে পারে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) কলকাতার পার্ক হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলনে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের তরফে জানান হয়েছে, আগামী বছর ২২ জানুয়ারি, কলকাতা বইমেলার উদ্বোধন হবে। এবারে মেলা চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিবারের মতো মেলার উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সল্টলেক করুণাময়ী সংলগ্ন ‘বইমেলা প্রাঙ্গন’-এ হবে বইমেলা। এই প্রথম থিম কান্ট্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনা।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশু শেখর দে। উপস্থিত ছিলেন, কলকাতায় অবস্থিত আর্জেন্টিনা দূতাবাসের দুই প্রতিনিধিসহ বিশিষ্টরা। এদিন সবার সামনে বইমেলার থিম কান্ট্রির লোগো উন্মোচন হয়।
বইমেলার আয়োজকদের তরফে জানানো হয়, ২০২৫ সালের বইমেলায় এসেছিলেন ২৭ লাখ বইপ্রেমী। বই বিক্রি হয়েছে ২৩ কোটি রুপির। ২০২৬ সালের বইমেলায় অংশ নেবে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, কলম্বিয়া, স্পেন, পেরু, জাপান, থাইল্যান্ড এবং লাতিন আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশ। এছাড়াও থাকবে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের বহু প্রকাশনা সংস্থা। এছাড়াও বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ কলকাতা লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি।
দৈএনকে/জে, আ