শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হাম-ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩১৯২ পদত্যাগের পর শূন্য হলো মিষ্টির সংসদীয় আসন আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের জামিন নামঞ্জুর আশুলিয়ায় ৬ জনকে পুড়িয়ে মারার সেই পুলিশ ভ্যান উদ্ধার, ‘জুলাই জাদুঘরে’ সংরক্ষণের দাবি   পদত্যাগের প্রশ্নে মিষ্টি: ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে’ ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে সংসদে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
  • ভয়াবহ খরা ও পানিশূন্যতার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে উদ্বেগ

    ভয়াবহ খরা ও পানিশূন্যতার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে উদ্বেগ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ সংকটে পড়েছে ইরান। রাজধানী তেহরানের প্রধান পানির উৎস আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দেশজুড়ে তীব্র খরার পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে।

    রোববার (৩ নভেম্বর) এমনই একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরএনএ। খবর আল জাজিরার। 

    রাজধানীর পানি ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরিচালক বেহজাদ পারসাকে উদ্ধৃত করে আইআরএনএ জানিয়েছে, রাজধানীর পানযোগ্য পানি সরবরাহকারী পাঁচটি বাঁধের মধ্যে একটি আমির কবির বাঁধ। এই জলাধারটিতে মাত্র ১৪ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি আছে এখন, যা এর মোট ধারণক্ষমতার মাত্র ৮ শতাংশ।

    বেহজাদ পারসা আরও জানিয়েছেন, এই স্তরে জলাধারটি মাত্র ‘দুই সপ্তাহের মতো’ তেহরানে পানি সরবরাহ চালিয়ে যেতে পারে। ১ কোটিরও বেশি লোকের এই মহানগরটি প্রায়ই বরফে আচ্ছাদিত থাকে এবং আলবোর্জ পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালের বিপরীতে অবস্থিত। এই পর্বতমালা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৬০০ মিটার (১৮০০০ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত এবং পর্বতমালা থেকে নেমে আসা নদীগুলো একাধিক জলাধারকে পানি সরবরাহ করে।

    কিন্তু, বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তেহরান।

    গত মাসেই স্থানীয় এক কর্মকর্তা ঘোষণা করেছিলেন, তেহরানে বৃষ্টিপাতের মাত্রা প্রায় এক শতাব্দী ধরে নজিরবিহীনভাবে কম ছিল। পারসা বলেন, এক বছর আগেও আমির কবির বাঁধ ৮৬ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি ধরে রেখেছিল, কিন্তু তেহরান অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ১০০ শতাংশ কমে গেছে। 

    এদিকে অন্য জলাধারগুলোর অবস্থা সম্পর্কে এখনও বিশদ বিবরণ দেননি বেহজাদ পারসা। তবে, ধারণা করা হচ্ছে আসন্ন খরা গ্রাস করতে পারে ইরানের অনেক অঞ্চল।   

    ইরানি মিডিয়া অনুসারে, তেহরানের জনগণ প্রতিদিন প্রায় তিন মিলিয়ন ঘনমিটার পানি ব্যবহার করে।

    পানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা হিসেবে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া এই গ্রীষ্মে তাপপ্রবাহের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দিয়েছে। জুলাই এবং আগস্ট মাসে পানি এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য দুই দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছিল ইরানে। 


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন