শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম

পুতিনের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কঠোর নিষেধাজ্ঞা পরিকল্পনা

পুতিনের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কঠোর নিষেধাজ্ঞা পরিকল্পনা
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

রাশিয়ার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান ঘটাতে পুতিনের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্র।

এছাড়া, রাশিয়ার জব্দকৃত সম্পদ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা তহবিলে ব্যবহারের ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিকল্পনাকে সমর্থন জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রাশিয়ার সম্পদ ব্যবহার করে কিয়েভকে সহায়তার বিষয়টিও বর্তমানে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের ভারসাম্যের নীতি: নিষেধাজ্ঞা ও শান্তির প্রচেষ্টা

‘বিশ্ব শান্তিদূত’ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনকারী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার তিন বছরের যুদ্ধ শেষ করা তার প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি জটিল প্রমাণিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) দোহায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ না শান্তিচুক্তির বাস্তব সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে, আমি পুতিনের সঙ্গে আর দেখা করব না। সময় নষ্ট করতে চাই না। ’

আগস্টে আলাস্কায় তাদের বৈঠকে অগ্রগতি না হওয়ায় ফের বৈঠক করতে অনিচ্ছুক বলেও জানান ট্রাম্প। 

এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘ওয়াশিংটন আশা করছে ইউরোপই এখন পরবর্তী বড় পদক্ষেপ নেবে; হয় নতুন নিষেধাজ্ঞা, না হয় শুল্ক।

টার্গেটে তেল ও ব্যাংকিং খাত

নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলো মূলত রাশিয়ার ব্যাংকিং খাত ও তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্য করতে পারে, যা বর্তমানে মস্কোর অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখছে।

দুজন মার্কিন সূত্র জানায়, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা সম্প্রতি ওয়াশিংটনকে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে রাশিয়ার ব্যাংকগুলোকে সম্পূর্ণভাবে ডলার-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে তা গৃহীত হবে কি না, এখনো নিশ্চিত নয়।

ট্রাম্প সম্প্রতি রাশিয়ার তেল জায়ান্ট লুকওয়েল (Lukoil) ও রসনেফটের (Rosneft) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর বিশ্ববাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।  তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২ ডলারের বেশি বেড়ে যায় এবং চীন ও ভারত বিকল্প সরবরাহকারীর খোঁজ শুরু করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, চীন রাশিয়ার তেল কেনা ব্যাপকভাবে কমিয়েছে, আর ভারত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করেছে।


দৈএনকে/রে,আ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন