শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • গাজায় সামরিক অভিযান নিয়ে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, লক্ষ্যে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী

    গাজায় সামরিক অভিযান নিয়ে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, লক্ষ্যে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি সেনাদের কিছু অংশ সরানোর পর গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ভূখণ্ডটিতে। নতুন গ্যাং ও ইসরায়েলি সহযোগীদের সঙ্গে সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। এই পরিস্থিতিতে হামাসের বিরুদ্ধে চরম রোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন।

    তবে তিনি এটাও বলেছেন, এই হামলায় সরাসরি অংশ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, যদি হামাস গাজায় মানুষ হত্যা চালিয়ে যায়, তাহলে তাদের মেরে ফেলা ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো উপায় থাকবে না। বিষয়টির প্রতি মনোযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!

    পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অংশ নেবে না। ট্রাম্প বলেন, এটা আমরা নিজেরা করব না। আমাদের সেটা করারও প্রয়োজন হবে না। এমন লোক আছে; খুব কাছেই আছে, যারা গিয়ে কাজটা সহজেই করে ফেলবে আমাদের তত্ত্বাবধানে। তিনি যদিও কোনো দেশের নাম বলেননি, তার ইঙ্গিত স্পষ্টতই ছিল ইসরায়েলের দিকেই।

    অথচ, সপ্তাহের শুরুতে তিনি বলেছিলেন, গাজায় গ্যাং দমন অভিযানে হামাসের পদক্ষেপে তার আপত্তি নেই। গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ওরা কয়েকটা ভয়ংকর গ্যাং নির্মূল করেছে, খুবই খারাপ লোক ছিল তারা। হামাস তাদের মেরে ফেলেছে। আর সত্যি বলতে, এতে আমি তেমন বিরক্ত হইনি। এটা ঠিক আছে।

    সম্প্রতি গাজায় হামাস ও স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এসব গোষ্ঠীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবিক সহায়তা লুটপাট ও ইসরায়েলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। রোববারের ওই সংঘর্ষের পর গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষণা দেয়, যেসব গ্যাং সদস্য রক্তপাতের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, তাদের সাধারণ ক্ষমা করা হবে।

    এর আগে, গত জুন মাসে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা স্বীকার করেন, হামাসকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে তারা গাজার কিছু গ্যাংকে অস্ত্র দিয়েছে। এর মধ্যে ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএল বা আইএসআইএস) এর ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীও ছিল।

    এদিকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসও হামাসের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার অভিযোগ, হামাস সন্দেহভাজন ইসরায়েলি সহযোগীদের হত্যা করেছে, যা ভয়াবহ অপরাধ। 

    আব্বাসের দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, এটি মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আইনের শাসনের নীতির ওপর গুরুতর আঘাত।

    তবে, গ্যাং ইস্যু ছাড়াও হামাসকে অন্য কারণেও হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। তার মধ্যস্থতায় করা যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, হামাসকে নিরস্ত্র হতে হবে এবং গাজার প্রশাসনে তাদের ভূমিকার অবসান ঘটাতে হবে। তবে, হামাস এসব শর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

    বৃহস্পতিবার ট্রাম্প আবারও সতর্ক করে বলেন, হামাস যদি স্বেচ্ছায় অস্ত্র না ফেলে, তাহলে জোর করে তা করা হবে। তার ভাষায়, ‘তারা নিরস্ত্র হবে। আর যদি তা না করে, তাহলে আমরাই তাদের নিরস্ত্র করব, খুব দ্রুত, হয়তো সহিংসভাবেই।’


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন