বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • “আবেগের প্রভাবে আম্মার মন্তব্যগুলো”

    “আবেগের প্রভাবে আম্মার মন্তব্যগুলো”
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ফেসবুকে যাত্রা শুরু করা রিপন মিয়া ২০১৬ সালে অল্প সময়েই নেটিজেনদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। তবে সম্প্রতি পরিবার ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত একটি গুরুতর অভিযোগের কারণে তিনি তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।

    তবে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন রিপন মিয়া। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পুরো বিষয়টি আসলে একটি ভুল বোঝাবুঝি। তিনি বুঝতে পারছেন না, কোথা থেকে কীভাবে বিতর্কের শুরু হয়েছে।

    রিপন মিয়া বলেন, ‘মূলত কোথা থেকে কী হয়েছে আমি বুঝি নি বিষয়টা। আগে মনে হয় আব্বা-আম্মার কাছে গেছে, তারপর আমাদের বাড়িতে গেছে। আমি বাড়িতে ছিলাম না, আমি বাজারে ছিলাম। এরপর সাংবাদিক এসে বলছে, আপনার নামে বিচার আছে।’

    নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা কম হওয়ায় তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে স্বচ্ছন্দ নন বলেও জানান। তিনি বলেন, ‘আমার তো এমনি লেখাপড়া নেই। আমি ইন্টারভিউ দিই না কোনো জায়গায়। কার সাথে কীভাবে কথা বলতে হয়, এটা আমি বলতে পারিনা দেখেই মূলত আমি ইন্টারভিউ দিই না।’

    মা-বাবার ভরণপোষণের বিষয়ে বলেন, ‘গ্রামের মানুষ কিন্তু সহজ-সরল। একজন কানপড়া দিলে আরেকজন সহ্য করতে পারেনা। দশজনে দশ কথা বললে একটা মানুষের মন এমনি নষ্ট হয়ে যায়। আবেগের কারণে আম্মা এগুলো বলেছে।’

    রিপনের কথায়, ‘ঘরে বানাচ্ছি, ঘরে তো আমি আর একা থাকবো না, আব্বা-আম্মাকে নিয়েই থাকবো। আমরা এখন ভাঙা ঘরে থাকছি আব্বা-আম্মা যেখানে থাকে। যেখানে বাড়ির কাজ হচ্ছে, ওখানে যাওয়া লাগে। নাহলে তো মিস্ত্রি ঠিকমতো কাজ করে না।’


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন