শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • ভারত সফরে হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ গেল কেনিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর

    ভারত সফরে হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ গেল কেনিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভারতে এসে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেছেন কেনিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা রাইলা ওদিঙ্গা। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮০ বছর। তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পাঁচবার প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অনলাইন আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওদিঙ্গা কেনিয়ার রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ২০২৭ সালের নির্বাচনের আগে তার মৃত্যু দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে শূন্যতা সৃষ্টি করবে।

    এক ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সকালবেলা তার বোন, মেয়ে, ব্যক্তিগত চিকিৎসককে নিয়ে হাঁটতে বের হন ওদিঙ্গা। সেখানেই তার হার্ট এ্যাটাক হয়। দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যম অবশ্য আগেই তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। বলা হয়, ওদিঙ্গাকে কোটি শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    ওদিঙ্গা ১৯৪৫ সালের ৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে স্বাধীনতার পর দেশটির প্রথম উপরাষ্ট্রপতির ছেলে ছিলেন তিনি। জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে আট বছর জেল ও নির্বাসনেও ছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন তার পূরণ হয়নি। ওদিঙ্গা প্রথম পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন ১৯৯২ সালে। এরপর তিনি ১৯৯৭, ২০০৭, ২০১৩, ২০১৭ ও ২০২২ সালে প্রেসিডেন্টের জন্য ক্যাম্পেইন করেন। তবে সেগুলো ব্যর্থ হয়। তিনি অবশ্য শেষ চারটি নির্বাচনে তার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন। ২০০৭ সালের নির্বাচনের পর বিক্ষোভের ডাক দেন ওই সাবেক প্রধানমন্ত্রী। যা স্বাধীনতার পর থেকে কেনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতার পথ তৈরি করে। এতে ১ হাজার ৩০০ মানুষ প্রাণ হারান। আহত ও বাস্তুচ্যুত হন কয়েক হাজার মানুষ।


    দৈএনকে/রে,আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন